১০ জোনে ভাগ করে ঢাকায় নাশকতার পরিকল্পনা, গডফাদাররা দেশের বাইরে
- আপডেট সময় ০৪:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 24
দেশজুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের নেপথ্য গডফাদাররা দেশের বাইরে বসে আছে। সেখান থেকে কার্যক্রম পরিচালনায় দেশের অভ্যন্তরে গড়ে তুলেছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শাওনকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ঢাকাকে ১০টি অঞ্চল ভাগ করে নিয়েছে। উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, গুলিস্তান, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, লালবাগ, তেজগাঁও, রমনা ও বাড্ডায় জোনভিত্তিক নাশকতামূলক কাজের জন্য টর্গেট করা হয়েছে। এসব জোনের সমন্বয়ের দায়িত্বে আছেন যুবলীগের মাইনুল হাসান খান নিখিল এবং মিরপুরের সাবেক সংসদ-সদস্য ইলিয়াস মোল্লা।
গোয়েন্দা সংস্থার সর্বশেষ রিপোর্টে দেশকে অস্থিতিশীল করার কাজে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শতাধিক নেতার নাম উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। তাদের কয়েকজনকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য বিভিন্ন অঞ্চল ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।
রোববার রাতে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এর আগে গত কয়েক দিনে বাসে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বাহিনীর সূত্র বলছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মী সড়কে ঝটিকা মিছিল বের করে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। তাদের মাধ্যমেই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ইন্ধনদাতারা দেশের বাইরে থেকে উসকানি দিচ্ছে। অন্যদিকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য অর্থও ব্যয় করছে। তাদেরই একটি অংশ দেশের ভেতরে সক্রিয় রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের ভেতর সহিংসতা উসকে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসাবে চিত্রায়িত করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে চক্রটি। দেশের ভেতর ও বাইরে অবস্থানরত ষড়যন্ত্রকারীরা যৌথভাবে নাশকতা পরিচালনা ও অর্থায়নে জড়িত। গোয়েন্দারা এ সংক্রান্ত বেশকিছু অডিও রেকর্ড, ডিজিটাল প্রমাণ ও গোপন বৈঠকের সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে।

























