ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের ১৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • / 313

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের ১৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে থাকা ৪৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন (গালিব) এই আদেশ দেন।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সায়মা ওয়াজেদ তার মায়ের রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সূচনা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের পরিপন্থী।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, সূচনা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে আদালতের অনুমতি নিয়ে হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাড়িকে সূচনা ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হতো, যা বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই সংস্থার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে, যার প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে, ২০২৩ সালের ২৪ নভেম্বর সূচনা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। দুদক বলছে, এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সম্পদ বেহাতের চেষ্টা করছিলেন, যা অনুসন্ধানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করাই ছিল জরুরি পদক্ষেপ।

দুদক এই মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করে অর্থপাচার মামলার আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে বড় ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

@riyad Sir Sir, please check

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার মেয়ে পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের ১৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

আপডেট সময় ০৫:১৭:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের ১৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে থাকা ৪৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন (গালিব) এই আদেশ দেন।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সায়মা ওয়াজেদ তার মায়ের রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সূচনা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ স্থানান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের পরিপন্থী।

আরও পড়ুন  শীর্ষ বৈঠকে মোদির ইতিবাচক সুর: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে আশাবাদী ইউনূস

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, সূচনা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে আদালতের অনুমতি নিয়ে হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাড়িকে সূচনা ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হতো, যা বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই সংস্থার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে, যার প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে, ২০২৩ সালের ২৪ নভেম্বর সূচনা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। দুদক বলছে, এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সম্পদ বেহাতের চেষ্টা করছিলেন, যা অনুসন্ধানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করাই ছিল জরুরি পদক্ষেপ।

দুদক এই মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করে অর্থপাচার মামলার আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে বড় ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

@riyad Sir Sir, please check