ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

ইশরাক হোসেনের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন: আপিল বিভাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 547

ছবি সংগৃহীত

 

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এখন সাংবিধানিক কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর দায়িত্ব দিয়েছে আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন  ডিসেম্বর মাস ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু, কমিশন বলছে ‘চ্যালেঞ্জ নেই’

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনে আপিল বিভাগ জানায়, শপথ নিয়ে ইসিই এখন সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার (২৮ মে) হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের বিরুদ্ধে করা ‘লিভ টু আপিল’ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ওই আদেশে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দিয়েছিল, যেখানে ইশরাককে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

গত ২২ মে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত রায়ে বলেন, রিটকারীর এই ধরনের রিট করার আইনগত এখতিয়ার নেই।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ দিতে নগর ভবনের সামনে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থকরা। আন্দোলনের কারণে নগর ভবনে নাগরিক সেবা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ এখন আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করছি।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ইস্যু ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষা, অন্যদিকে নগরবাসী ভোগান্তির মধ্যে পড়ে গেছে নাগরিক সেবা বন্ধ থাকায়। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত কী হবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইশরাক হোসেনের শপথ ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন: আপিল বিভাগ

আপডেট সময় ০৩:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এখন সাংবিধানিক কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর দায়িত্ব দিয়েছে আপিল বিভাগ।

আরও পড়ুন  নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনে আপিল বিভাগ জানায়, শপথ নিয়ে ইসিই এখন সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে বুধবার (২৮ মে) হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশের বিরুদ্ধে করা ‘লিভ টু আপিল’ আবেদনের শুনানি শুরু হয়। ওই আদেশে হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দিয়েছিল, যেখানে ইশরাককে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং রিটকারীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

গত ২২ মে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। আদালত রায়ে বলেন, রিটকারীর এই ধরনের রিট করার আইনগত এখতিয়ার নেই।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়।

এদিকে, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ দিতে নগর ভবনের সামনে গত দুই সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তার সমর্থকরা। আন্দোলনের কারণে নগর ভবনে নাগরিক সেবা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণ এখন আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয়। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করছি।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ইস্যু ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষা, অন্যদিকে নগরবাসী ভোগান্তির মধ্যে পড়ে গেছে নাগরিক সেবা বন্ধ থাকায়। নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত কী হবে এখন সেটিই দেখার বিষয়।