ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে কারাবন্দি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

কারাগারের চার দেয়ালে আবদ্ধ হাজতি ও কয়েদিদের জন্য নতুন নিয়ম চালু হতে যাচ্ছে। বন্দিজীবনে স্বজনদের সরাসরি দেখার আকুলতা দূর করতে চালু হচ্ছে ভিডিও কলের বিশেষ সুবিধা। ইতোমধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ সুবিধা চালু হয়েছে। কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে শিগগিরই সারা দেশে এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।

নতুন নিয়ম অনুয়ায়ী নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েদি ও হাজতিরা প্রতি সপ্তাহে একবার ১০ মিনিটের জন্য ভিডিও কলে যুক্ত হতে পারবেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। ঢাকা কারা অধিদপ্তরের জেলার (লজিস্টিক অ্যান্ড মিডিয়া) মো. মাসুদ হাসান জুয়েল রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলেন, সারা দেশে শিগগিরই কারাবন্দিরা স্বজনদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে।

মূলত আধুনিক কারাব্যবস্থা নিশ্চিতের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের কারাগারে বন্দিদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে ভিডিও কলের ব্যবস্থা রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহু অঙ্গরাজ্যের কারাগার ও জেলে ভিডিও ভিজিটেশন বা ভিডিও কলের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সাধারণত অনুমোদিত দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে বন্দিদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের কারাগারগুলোতে বন্দিরা পরিবারের সাথে নিরাপদ ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ পান। করোনাকালে এটি ব্যাপকতা লাভ করে এবং পরবর্তীতে নিয়মিত নিয়মে পরিণত হয়। এছাড়াও ফিনল্যান্ড, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, নরওয়ে এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন কারাগারে বন্দিদের মানসিক সুস্বাস্থ্য ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ঠিক রাখতে ভিডিও কলের ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে ৩৬১ সাংবাদিক কারাবন্দি, বাংলাদেশী ৪ জন

এর আগে ২০২০ সালের মার্চে বন্দিদের মন ভালো রাখা এবং কারাগারে স্বজনদের উপস্থিতি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছিল সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার। বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে একবার করে পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এজন্য তাদের প্রতি মিনিটে দিতে হয়েছে ৫ টাকা। তবে ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া থেকে বাদ রাখা হয়েছিল কারাবন্দি জঙ্গি ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে কারাবন্দি

আপডেট সময় ০৩:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কারাগারের চার দেয়ালে আবদ্ধ হাজতি ও কয়েদিদের জন্য নতুন নিয়ম চালু হতে যাচ্ছে। বন্দিজীবনে স্বজনদের সরাসরি দেখার আকুলতা দূর করতে চালু হচ্ছে ভিডিও কলের বিশেষ সুবিধা। ইতোমধ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ সুবিধা চালু হয়েছে। কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে শিগগিরই সারা দেশে এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।

নতুন নিয়ম অনুয়ায়ী নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েদি ও হাজতিরা প্রতি সপ্তাহে একবার ১০ মিনিটের জন্য ভিডিও কলে যুক্ত হতে পারবেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। ঢাকা কারা অধিদপ্তরের জেলার (লজিস্টিক অ্যান্ড মিডিয়া) মো. মাসুদ হাসান জুয়েল রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলেন, সারা দেশে শিগগিরই কারাবন্দিরা স্বজনদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে।

মূলত আধুনিক কারাব্যবস্থা নিশ্চিতের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের কারাগারে বন্দিদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং পরিবারের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখতে ভিডিও কলের ব্যবস্থা রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহু অঙ্গরাজ্যের কারাগার ও জেলে ভিডিও ভিজিটেশন বা ভিডিও কলের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সাধারণত অনুমোদিত দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে বন্দিদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের কারাগারগুলোতে বন্দিরা পরিবারের সাথে নিরাপদ ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ পান। করোনাকালে এটি ব্যাপকতা লাভ করে এবং পরবর্তীতে নিয়মিত নিয়মে পরিণত হয়। এছাড়াও ফিনল্যান্ড, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, নরওয়ে এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন কারাগারে বন্দিদের মানসিক সুস্বাস্থ্য ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ঠিক রাখতে ভিডিও কলের ব্যবস্থা রয়েছে।

আরও পড়ুন  শ্যামল দত্ত ও তার স্ত্রী-সন্তানের ১৮ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ

এর আগে ২০২০ সালের মার্চে বন্দিদের মন ভালো রাখা এবং কারাগারে স্বজনদের উপস্থিতি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছিল সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার। বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে একবার করে পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এজন্য তাদের প্রতি মিনিটে দিতে হয়েছে ৫ টাকা। তবে ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া থেকে বাদ রাখা হয়েছিল কারাবন্দি জঙ্গি ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের।