ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আধুনিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ রোডম্যাপ দায়বদ্ধতাহীন ভালোবাসার নতুন নাম ‘ন্যানোশিপ’, বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন সতর্কবার্তা ঢাকার ইতিহাসে প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম নেত্রকোনায় জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত অন্তত ৩০ ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ নিয়ে গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় সরকার; সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের মিলবে পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও পোশাক যে ৭ পাম্পে ২৫% অতিরিক্ত অকটেন দিচ্ছে বিপিসি পরিবহন ভাড়ার নতুন সিদ্ধান্ত কাল: জানালেন সেতুমন্ত্রী ইউপি সদস্যকে অপহরণ; মুক্তিপণ দাবি ৩০ লাখ টাকা ধান ও চালের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ; ৩৬ টাকা কেজিতে ধান কিনবে সরকার

শ্রমিক দল কমিটি ঘিরে মাদারীপুরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরো ৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 281

ছবি সংগৃহীত

 

মাদারীপুরে শ্রমিক দলের পৌর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাকিল মুনশির (৩৩)। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন।

নিহত শাকিল মাদারীপুর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকার মোফাজ্জেল মুনশির ছেলে।

আরও পড়ুন  মাগুরা-ঝিনাইদহ সড়কে বাস-ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি মাদারীপুর পৌর শ্রমিক দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করে জেলা কমিটি। এতে লিটন হাওলাদারকে সভাপতি করা হলে বিষয়টি নিয়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লিটনকে আওয়ামীপন্থী অভিযোগ এনে কমিটি বাতিলের দাবি তোলেন।

রোববার দুপুরে কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরের একটি সড়কে বিক্ষোভ করেন শাকিলপন্থী নেতাকর্মীরা। রাতের দিকে শাকিল তার অনুসারীদের নিয়ে বিসিক শিল্পনগরীতে এক বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নতুন মাদারীপুর এলাকায় লিটন হাওলাদারের ভাতিজা আল আমিনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল শাকিলের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শাকিল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

শাকিলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আরও দুইজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। ঘটনার পরপরই শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। লিটন ও শাকিলপন্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হন আরও অন্তত তিনজন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।

শাকিলের ভাই রনজু মুনশি অভিযোগ করে বলেন, “লিটনের বিতর্কিত নেতৃত্বের প্রতিবাদ করেছিল শাকিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লিটন ও তার ভাতিজা আল আমিন পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে খুন করেছে। আমরা বিচার চাই, ফাঁসি চাই।”

ঘটনার পর থেকে লিটন ও আল আমিন পলাতক। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রমিক দল কমিটি ঘিরে মাদারীপুরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরো ৫

আপডেট সময় ১০:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

মাদারীপুরে শ্রমিক দলের পৌর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে প্রাণ গেল সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাকিল মুনশির (৩৩)। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন।

নিহত শাকিল মাদারীপুর শহরের নতুন মাদারীপুর এলাকার মোফাজ্জেল মুনশির ছেলে।

আরও পড়ুন  ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় সংঘর্ষ এড়াতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি মাদারীপুর পৌর শ্রমিক দলের নতুন কমিটি ঘোষণা করে জেলা কমিটি। এতে লিটন হাওলাদারকে সভাপতি করা হলে বিষয়টি নিয়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লিটনকে আওয়ামীপন্থী অভিযোগ এনে কমিটি বাতিলের দাবি তোলেন।

রোববার দুপুরে কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরের একটি সড়কে বিক্ষোভ করেন শাকিলপন্থী নেতাকর্মীরা। রাতের দিকে শাকিল তার অনুসারীদের নিয়ে বিসিক শিল্পনগরীতে এক বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নতুন মাদারীপুর এলাকায় লিটন হাওলাদারের ভাতিজা আল আমিনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল শাকিলের ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শাকিল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

শাকিলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে আরও দুইজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়। ঘটনার পরপরই শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। লিটন ও শাকিলপন্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হন আরও অন্তত তিনজন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।

শাকিলের ভাই রনজু মুনশি অভিযোগ করে বলেন, “লিটনের বিতর্কিত নেতৃত্বের প্রতিবাদ করেছিল শাকিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে লিটন ও তার ভাতিজা আল আমিন পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে খুন করেছে। আমরা বিচার চাই, ফাঁসি চাই।”

ঘটনার পর থেকে লিটন ও আল আমিন পলাতক। তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।”