কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়ায় রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতু বন্ধ, অনির্দিষ্টকালের সেতু পারা পারে নিষেধাজ্ঞা
- আপডেট সময় ১১:১৭:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
- / 30
অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে এলাকার জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ঝুলন্ত সেতুটি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় গত শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সেতু দিয়ে চলাচলের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।
পর্যটন করপোরেশনের তথ্যানুযায়ী, চেঙ্গী, মাইনী ও কাচালং নদীর পাশাপাশি প্রতিবেশী ভারতের মিজোরাম থেকে প্রবাহিত কর্ণফুলী নদীর পানিও এসে কাপ্তাই হ্রদে যুক্ত হচ্ছে। বিগত কয়েকদিনের একটানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে হ্রদের জলস্তর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ পানি সেতুর পাটাতন ছুঁয়ে ফেলে, এবং উজান থেকে পানি আসতে থাকায় শনিবার সকালের মধ্যে সেতুর ওপর প্রায় চার ইঞ্চি পানি জমে যায়। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে দর্শনার্থীদের সেতুতে ওঠা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার দুপুর নাগাদ সেতুর ওপর প্রায় চার ইঞ্চি পানি উঠে আসে। ঝুঁকি বিবেচনা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেতু পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছে। পানির স্তর স্বাভাবিক হলে দর্শনার্থীদের জন্য পুনরায় সেতু খুলে দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১০৫.৬৪ ফুট এমএসএল, যেখানে হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। বর্তমানে কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট সচল রেখে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে, যেখানে কেন্দ্রটির সর্বোচ্চ উৎপাদনক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট।























