ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের আনাগোনা, উদ্বিগ্ন ভারত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 48

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের বিভিন্ন সামরিক বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের সামরিক বিমানের ঘনঘন যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারতে। ১৯ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে তুরস্কের সি-১৩০ ও এ৪০০এম মডেলের সামরিক বিমান পাকিস্তানের বিভিন্ন ঘাঁটিতে একাধিকবার ওঠানামা করেছে বলে ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে।

সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকলেও ভারতের সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাকিস্তানকে ড্রোন ও নতুন প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্দেশ্যেই তুর্কি সামরিক বিমানের এই তৎপরতা হতে পারে।

৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি যৌথ সামরিক চুক্তি সই হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

আরও পড়ুন  তেলাপোকার আন্দোলন ইস্যুতে মুখ খুললেন মোদি

চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের যাতায়াত বেড়ে যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ভারতের সামরিক ও কৌশলগত মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে চার দিনের সামরিক সংঘাতের সময় তুরস্ক ও চীন পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সহযোগিতা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে ওই সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী নিজস্ব প্রযুক্তি ও এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে পাকিস্তানের হামলা প্রতিহত করেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

ওই সংঘাতের সময় ভারত ৩১৪ কিলোমিটার দূর থেকে পাকিস্তানের একটি উচ্চমানের নজরদারি বিমান ভূপাতিত করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের আনাগোনা, উদ্বিগ্ন ভারত

আপডেট সময় ১১:০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

পাকিস্তানের বিভিন্ন সামরিক বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের সামরিক বিমানের ঘনঘন যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ভারতে। ১৯ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে তুরস্কের সি-১৩০ ও এ৪০০এম মডেলের সামরিক বিমান পাকিস্তানের বিভিন্ন ঘাঁটিতে একাধিকবার ওঠানামা করেছে বলে ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্যে দেখা গেছে।

সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকলেও ভারতের সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাকিস্তানকে ড্রোন ও নতুন প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্দেশ্যেই তুর্কি সামরিক বিমানের এই তৎপরতা হতে পারে।

৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি যৌথ সামরিক চুক্তি সই হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে তিন দেশের সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

আরও পড়ুন  ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামিকে ইমেইলে প্রাণনাশের হুমকি, ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি

চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের যাতায়াত বেড়ে যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ভারতের সামরিক ও কৌশলগত মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে চার দিনের সামরিক সংঘাতের সময় তুরস্ক ও চীন পাকিস্তানকে অত্যাধুনিক ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সহযোগিতা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে ওই সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী নিজস্ব প্রযুক্তি ও এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে পাকিস্তানের হামলা প্রতিহত করেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

ওই সংঘাতের সময় ভারত ৩১৪ কিলোমিটার দূর থেকে পাকিস্তানের একটি উচ্চমানের নজরদারি বিমান ভূপাতিত করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া