ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

‘খুব খারাপ কাজ করেছে, বিচার চাই’—সোহেলের মা-বাবার দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / 78

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে দায় স্বীকারের অভিযোগ ওঠা সোহেল রানার শাস্তি দাবি করেছেন তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের ভাষ্য, ঘটনার পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং আইন অনুযায়ী বিচার চান।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে নাটোরের সিংড়া উপজেলার মহেষচন্দ্রপুর গ্রামে গিয়ে সোহেল রানার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল।

প্রতিবেশী আব্দুল আওয়াল বলেন, ছোটবেলায় সোহেল রানাকে সবাই রানা নামেই চিনতেন। পঞ্চম শ্রেণির পর তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে এলাকায় পরিচিতি পান। সে সময় তিনি নিজেকে এস এম রানা নামে পরিচয় দিতেন বলে জানান তিনি। বর্তমানে ঢাকায় তিনি সোহেল রানা নামে পরিচিত বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।

আরও পড়ুন  সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের শিকার সেই শিশুর মৃত্যু

আব্দুল আওয়াল আরও বলেন, তরুণ বয়সে স্থানীয় একটি সেতুর নির্মাণসামগ্রী চুরির মামলায় সোহেল আসামি হয়েছিলেন এবং কারাভোগও করেছেন বলে এলাকায় প্রচলিত আছে।

মহেষচন্দ্রপুর বাজারে সোহেল রানার চাচা রেজাউল করিম বলেন, ঢাকায় যাওয়ার আগে বাজারে তার একটি সাইকেল মেরামতের দোকান ছিল। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রায় চার বছর আগে ঢাকায় চলে যান তিনি। এরপর পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ খুবই সীমিত ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, ঢাকায় গিয়ে সোহেল গুরুতর অপরাধ করেছে বলে তারা শুনেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও তার শাস্তি চাওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সোহেল রানার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ও নীরবতা দেখা যায়। তার মা খদেজা বেগম বলেন, সন্তান হিসেবে ভালোবাসা থাকলেও এমন ঘটনার পর তাকে আর আগের মতো ভাবতে পারছেন না। তিনি বলেন, ছেলে খুব খারাপ কাজ করেছে এবং তারা তার বিচার চান।

বাবা জেকের আলীও একই ধরনের বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ছেলে এমন একটি কাজ করতে পারে, তা বিশ্বাস করা কঠিন। তবে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর আইন অনুযায়ী বিচার ও শাস্তি মেনে নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘খুব খারাপ কাজ করেছে, বিচার চাই’—সোহেলের মা-বাবার দাবি

আপডেট সময় ০৭:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে দায় স্বীকারের অভিযোগ ওঠা সোহেল রানার শাস্তি দাবি করেছেন তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের ভাষ্য, ঘটনার পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং আইন অনুযায়ী বিচার চান।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে নাটোরের সিংড়া উপজেলার মহেষচন্দ্রপুর গ্রামে গিয়ে সোহেল রানার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল।

প্রতিবেশী আব্দুল আওয়াল বলেন, ছোটবেলায় সোহেল রানাকে সবাই রানা নামেই চিনতেন। পঞ্চম শ্রেণির পর তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে এলাকায় পরিচিতি পান। সে সময় তিনি নিজেকে এস এম রানা নামে পরিচয় দিতেন বলে জানান তিনি। বর্তমানে ঢাকায় তিনি সোহেল রানা নামে পরিচিত বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।

আরও পড়ুন  রাজশাহীতে ৯ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ: ভ্যানচালক আটক

আব্দুল আওয়াল আরও বলেন, তরুণ বয়সে স্থানীয় একটি সেতুর নির্মাণসামগ্রী চুরির মামলায় সোহেল আসামি হয়েছিলেন এবং কারাভোগও করেছেন বলে এলাকায় প্রচলিত আছে।

মহেষচন্দ্রপুর বাজারে সোহেল রানার চাচা রেজাউল করিম বলেন, ঢাকায় যাওয়ার আগে বাজারে তার একটি সাইকেল মেরামতের দোকান ছিল। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রায় চার বছর আগে ঢাকায় চলে যান তিনি। এরপর পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ খুবই সীমিত ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, ঢাকায় গিয়ে সোহেল গুরুতর অপরাধ করেছে বলে তারা শুনেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকেও তার শাস্তি চাওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সোহেল রানার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ও নীরবতা দেখা যায়। তার মা খদেজা বেগম বলেন, সন্তান হিসেবে ভালোবাসা থাকলেও এমন ঘটনার পর তাকে আর আগের মতো ভাবতে পারছেন না। তিনি বলেন, ছেলে খুব খারাপ কাজ করেছে এবং তারা তার বিচার চান।

বাবা জেকের আলীও একই ধরনের বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ছেলে এমন একটি কাজ করতে পারে, তা বিশ্বাস করা কঠিন। তবে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর আইন অনুযায়ী বিচার ও শাস্তি মেনে নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।