ঢাকা ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই কৃষকের মৃত্যু, আহত একজন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 195

ছবি: সংগৃহীত

 

 

শেরপুরের নকলা উপজেলায় ধানের জমিতে সেচ যন্ত্রের বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু

মঙ্গলবার উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের পুলাদেশি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র গোপ।

নিহতরা হলেন পুলাদেশি গ্রামের মিরা মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫) এবং একই গ্রামের উবেদ আলীর ছেলে আঙ্গুর (৫০)। গুরুতর আহত হয়েছেন সামাদ মিয়ার ছেলে সামিরুল (৬০)। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পরিবার।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ধানের জমিতে সেচ যন্ত্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া ছিল। হঠাৎ করে লাইনের একটি তার ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে গেলে প্রথমে একজন কৃষক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুজন একইভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যার দিকে তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। গুরুতর আহত একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই কৃষকের মৃত্যু, আহত একজন

আপডেট সময় ১২:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

 

শেরপুরের নকলা উপজেলায় ধানের জমিতে সেচ যন্ত্রের বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু

মঙ্গলবার উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের পুলাদেশি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র গোপ।

নিহতরা হলেন পুলাদেশি গ্রামের মিরা মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫) এবং একই গ্রামের উবেদ আলীর ছেলে আঙ্গুর (৫০)। গুরুতর আহত হয়েছেন সামাদ মিয়ার ছেলে সামিরুল (৬০)। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পরিবার।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ধানের জমিতে সেচ যন্ত্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া ছিল। হঠাৎ করে লাইনের একটি তার ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে গেলে প্রথমে একজন কৃষক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুজন একইভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যার দিকে তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। গুরুতর আহত একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।