ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পে ইসরাইলি স্টার্টআপের প্রভাব: সিলিকন ভ্যালির নতুন বিনিয়োগ প্রবণতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 216

ছবি: সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের অস্ত্র উৎপাদন ও উন্নয়নকে চাঙা রাখতে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এখন ইসরাইলি স্টার্টআপগুলোর দিকে ঝুঁকছে। আগে যেখানে সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগ মূলত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা স্টার্টআপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, সেখানে সাম্প্রতিক গাজা ও লেবাননের সংঘাতের পর ইসরাইলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা প্রতিরক্ষা খাতে ইসরাইলি স্টার্টআপগুলোর শক্ত অবস্থান ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অস্ত্র চুক্তির বাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি করবে। এই প্রবণতা প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা খাতের নতুন কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে কাতারি বিনিয়োগ বাড়াতে কাতারের ব্যবসায়ীদের প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

নতুন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়নে ইসরাইলি স্টার্টআপগুলোর অগ্রগতি ইতোমধ্যে পশ্চিমা বিশ্বে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ‘কেলা’ নামের একটি ইসরাইলি স্টার্টআপ ইতোমধ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ সংস্থা এবং সিআইএ’র বিনিয়োগ শাখার সহায়তা পেয়েছে। বর্তমানে তারা সরাসরি পেন্টাগনে অস্ত্র বিক্রির লক্ষ্যে কাজ করছে।

‘কেলা’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমরা ইসরাইলের সীমানা ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বৃহৎ প্রতিরক্ষা প্রোগ্রামগুলোর দিকে নজর দিচ্ছি।’ এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে যে, ইসরাইলি কোম্পানিগুলো এখন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায়।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘Texas Venture Partners’ গত বছর ৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ ফান্ড চালু করেছে। সংস্থাটির কর্মকর্তা লর্ন এবনি বলেন, ‘ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ইকোসিস্টেমের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন যুগের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির পুনরুত্থান ঘটছে।’

এই বিনিয়োগপ্রবণতা ইঙ্গিত দেয় যে, আগামী দিনে ইসরাইলি স্টার্টআপগুলো কেবল যুদ্ধক্ষেত্রের প্রযুক্তি নয়, বরং পশ্চিমা প্রতিরক্ষা চুক্তির ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখবে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান সংযোগ আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পে ইসরাইলি স্টার্টআপের প্রভাব: সিলিকন ভ্যালির নতুন বিনিয়োগ প্রবণতা

আপডেট সময় ১১:১০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের অস্ত্র উৎপাদন ও উন্নয়নকে চাঙা রাখতে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এখন ইসরাইলি স্টার্টআপগুলোর দিকে ঝুঁকছে। আগে যেখানে সিলিকন ভ্যালির বিনিয়োগ মূলত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা স্টার্টআপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, সেখানে সাম্প্রতিক গাজা ও লেবাননের সংঘাতের পর ইসরাইলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা প্রতিরক্ষা খাতে ইসরাইলি স্টার্টআপগুলোর শক্ত অবস্থান ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অস্ত্র চুক্তির বাজারে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি করবে। এই প্রবণতা প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা খাতের নতুন কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে।

আরও পড়ুন  পিরোজপুরে শতবর্ষী হাট পরিদর্শনে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত, ভবিষ্যতে বিনিয়োগের আশ্বাস

নতুন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়নে ইসরাইলি স্টার্টআপগুলোর অগ্রগতি ইতোমধ্যে পশ্চিমা বিশ্বে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। উদাহরণস্বরূপ, ‘কেলা’ নামের একটি ইসরাইলি স্টার্টআপ ইতোমধ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ সংস্থা এবং সিআইএ’র বিনিয়োগ শাখার সহায়তা পেয়েছে। বর্তমানে তারা সরাসরি পেন্টাগনে অস্ত্র বিক্রির লক্ষ্যে কাজ করছে।

‘কেলা’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমরা ইসরাইলের সীমানা ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বৃহৎ প্রতিরক্ষা প্রোগ্রামগুলোর দিকে নজর দিচ্ছি।’ এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে যে, ইসরাইলি কোম্পানিগুলো এখন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায়।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘Texas Venture Partners’ গত বছর ৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ ফান্ড চালু করেছে। সংস্থাটির কর্মকর্তা লর্ন এবনি বলেন, ‘ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ইকোসিস্টেমের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন যুগের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির পুনরুত্থান ঘটছে।’

এই বিনিয়োগপ্রবণতা ইঙ্গিত দেয় যে, আগামী দিনে ইসরাইলি স্টার্টআপগুলো কেবল যুদ্ধক্ষেত্রের প্রযুক্তি নয়, বরং পশ্চিমা প্রতিরক্ষা চুক্তির ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখবে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান সংযোগ আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা কৌশলে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।