ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 410

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঘটিত চাঞ্চল্যকর মুন্না হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-২ এর একটি দল রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জানা গেছে, ইসমাইল এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা কিশোর গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর।

র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ আগারগাঁও ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, “মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ইসমাইল হোসেনকে হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।”

আরও পড়ুন  দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মুন্না ছিলেন একজন সাধারণ পিঠা বিক্রেতা, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার পরিবারকে জীবনধারণের জন্য সহায়তা করতেন। কিন্তু এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা সহ তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুন্নার পেশাকে অপমানজনক মনে করে, এবং তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা মুন্নাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করে এবং গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে, ইসমাইল, এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানাসহ অন্যান্য আসামি মুন্নাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহত মুন্নার বাবা, বাবুল হাওলাদার, মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক থাকতে পারে, যা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এখনও পর্যন্ত ইসমাইলসহ অন্যান্য আসামিদের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঘটিত চাঞ্চল্যকর মুন্না হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-২ এর একটি দল রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জানা গেছে, ইসমাইল এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা কিশোর গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর।

র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ আগারগাঁও ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, “মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ইসমাইল হোসেনকে হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।”

আরও পড়ুন  হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মুন্না ছিলেন একজন সাধারণ পিঠা বিক্রেতা, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার পরিবারকে জীবনধারণের জন্য সহায়তা করতেন। কিন্তু এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা সহ তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুন্নার পেশাকে অপমানজনক মনে করে, এবং তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা মুন্নাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করে এবং গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে, ইসমাইল, এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানাসহ অন্যান্য আসামি মুন্নাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহত মুন্নার বাবা, বাবুল হাওলাদার, মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক থাকতে পারে, যা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এখনও পর্যন্ত ইসমাইলসহ অন্যান্য আসামিদের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।