ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের

হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
  • / 529

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা হাতিরঝিলে গোপন অভিযানে একটি প্রাইভেট কার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে তারা সবাই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪), আল-মামুন (৩২), মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬) এবং ফারুকের স্ত্রী তানিয়া (৩২)।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে এ অঞ্চলের জন্য একটি আদর্শ মডেল হতে পারে: মাহফুজ আলম

ডিএনসির দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে রাজধানীজুড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে সরবরাহ করছিলেন। বাইং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল মাদক নেটওয়ার্ক।

ডিএনসির উপপরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, তিন মাস আগেই এই চক্র সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। একাধিক গোয়েন্দা অভিযানের পর শুক্রবার দিবাগত রাতে হাতিরঝিল এলাকায় চালানো হয় সফল অভিযান।

বলা হয়, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চক্রটি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের পরিকল্পনা করছিল। হুন্দাই ব্র্যান্ডের একটি বিলাসবহুল গাড়ির পাদানির নিচে বিশেষ প্যানেল তৈরি করে তাতে ইয়াবা লুকানো হয়। প্যানেলটি বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না, যতক্ষণ না গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেটি খোলা হয়।

ডিএনসি জানায়, গাড়িটি আটকের সময় সাত কিলোমিটার পর্যন্ত ধাওয়া করা হয়। তল্লাশিতে প্রাথমিকভাবে কিছু না পেলেও সন্দেহজনক অংশ খুলতেই বেরিয়ে আসে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রমনা সার্কেলের পরিদর্শক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

ডিএনসির ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এ চক্রটি ইতিপূর্বেও নজরদারিতে ছিল, তবে আগের অভিযান ব্যর্থ হয়েছিল। এবার ঈদের আগেই ইয়াবার বড় চালান আটক করায় ঢাকার বড় একটি মাদক সরবরাহ বন্ধ হলো বলে মনে করছে ডিএনসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

হাতিরঝিলে বিলাসবহুল গাড়ি থেকে এক লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার চার

আপডেট সময় ১১:৪৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

 

রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা হাতিরঝিলে গোপন অভিযানে একটি প্রাইভেট কার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে চারজনকে তারা সবাই একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে ডিএনসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নজরুল ইসলাম ওরফে সোহেল রানা (৩৪), আল-মামুন (৩২), মোহাম্মদ ফারুক ওরফে ওমর ফারুক (৪৬) এবং ফারুকের স্ত্রী তানিয়া (৩২)।

আরও পড়ুন  সারা দেশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ১,৪৪৩

ডিএনসির দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে রাজধানীজুড়ে বিলাসবহুল গাড়িতে করে সরবরাহ করছিলেন। বাইং হাউস ও আবাসন ব্যবসার আড়ালে গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল মাদক নেটওয়ার্ক।

ডিএনসির উপপরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, তিন মাস আগেই এই চক্র সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। একাধিক গোয়েন্দা অভিযানের পর শুক্রবার দিবাগত রাতে হাতিরঝিল এলাকায় চালানো হয় সফল অভিযান।

বলা হয়, ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চক্রটি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের পরিকল্পনা করছিল। হুন্দাই ব্র্যান্ডের একটি বিলাসবহুল গাড়ির পাদানির নিচে বিশেষ প্যানেল তৈরি করে তাতে ইয়াবা লুকানো হয়। প্যানেলটি বাইরে থেকে বোঝার উপায় ছিল না, যতক্ষণ না গোয়েন্দা সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেটি খোলা হয়।

ডিএনসি জানায়, গাড়িটি আটকের সময় সাত কিলোমিটার পর্যন্ত ধাওয়া করা হয়। তল্লাশিতে প্রাথমিকভাবে কিছু না পেলেও সন্দেহজনক অংশ খুলতেই বেরিয়ে আসে এক লাখ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে রমনা সার্কেলের পরিদর্শক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

ডিএনসির ভাষ্য, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এ চক্রটি ইতিপূর্বেও নজরদারিতে ছিল, তবে আগের অভিযান ব্যর্থ হয়েছিল। এবার ঈদের আগেই ইয়াবার বড় চালান আটক করায় ঢাকার বড় একটি মাদক সরবরাহ বন্ধ হলো বলে মনে করছে ডিএনসি।