ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
  • / 490

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঘটিত চাঞ্চল্যকর মুন্না হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-২ এর একটি দল রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জানা গেছে, ইসমাইল এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা কিশোর গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর।

র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ আগারগাঁও ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, “মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ইসমাইল হোসেনকে হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।”

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীসহ ৯৬ জন অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মুন্না ছিলেন একজন সাধারণ পিঠা বিক্রেতা, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার পরিবারকে জীবনধারণের জন্য সহায়তা করতেন। কিন্তু এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা সহ তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুন্নার পেশাকে অপমানজনক মনে করে, এবং তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা মুন্নাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করে এবং গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে, ইসমাইল, এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানাসহ অন্যান্য আসামি মুন্নাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহত মুন্নার বাবা, বাবুল হাওলাদার, মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক থাকতে পারে, যা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এখনও পর্যন্ত ইসমাইলসহ অন্যান্য আসামিদের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যার আসামি ইসমাইল হোসেন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঘটিত চাঞ্চল্যকর মুন্না হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-২ এর একটি দল রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জানা গেছে, ইসমাইল এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা কিশোর গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল গভীর।

র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ আগারগাঁও ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার গণমাধ্যমকে বলেন, “মঙ্গলবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার চাঞ্চল্যকর মুন্না হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি ইসমাইল হোসেনকে হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।”

আরও পড়ুন  গ্রেপ্তার হলেন সাবেক এমপি মমতাজ

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত মুন্না ছিলেন একজন সাধারণ পিঠা বিক্রেতা, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তার পরিবারকে জীবনধারণের জন্য সহায়তা করতেন। কিন্তু এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানা সহ তাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুন্নার পেশাকে অপমানজনক মনে করে, এবং তার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা মুন্নাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করে এবং গত বছরের ২০ নভেম্বর রাতে, ইসমাইল, এলেক্স ইমন ও গলাকাটা রানাসহ অন্যান্য আসামি মুন্নাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহত মুন্নার বাবা, বাবুল হাওলাদার, মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কিছু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক থাকতে পারে, যা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

এখনও পর্যন্ত ইসমাইলসহ অন্যান্য আসামিদের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে।