ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

খারকিভে রাশিয়ার ড্রোন হামলা: আহত অন্তত ৭ জন, বিধ্বস্ত একাধিক ভবন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • / 306

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভ আবারও রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় চালানো এ হামলায় একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

খারকিভের আঞ্চলিক গভর্নর ওলেহ সিনেইহুবভ জানান, রাশিয়ার আটটি ড্রোন শহরের তিনটি বেসামরিক এলাকায় আঘাত হানে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোর মধ্যে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রও রয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধে এ অঞ্চল নিয়মিত রুশ হামলার শিকার হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন  রাজ কাপুর–এর পৈতৃক বাড়ির অংশ বিধ্বস্ত

সিনেইহুবভ বলেন, হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে খারকিভের মেয়র ইহোর তেরেকহভ জানিয়েছেন, আহতের সংখ্যা সাতজন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে আবাসিক ভবনও রয়েছে।

হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান এবং ৫০ জনের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। চিকিৎসাকর্মীরা আহতদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন।

এদিকে, ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী কৌশলগতভাবে বেসামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে, যাতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা যায়। তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

খারকিভে ক্রমাগত হামলা ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। শহরটি একসময় শিল্প ও বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হলেও এখন রাশিয়ার লাগাতার হামলার কারণে এক ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর এ ধরনের হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

হামলার পর খারকিভের বাসিন্দারা আরও বড় ধরনের আক্রমণের আশঙ্কায় রয়েছেন। রাশিয়ার এমন আগ্রাসন প্রতিহত করতে ইউক্রেন কী কৌশল গ্রহণ করবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

খারকিভে রাশিয়ার ড্রোন হামলা: আহত অন্তত ৭ জন, বিধ্বস্ত একাধিক ভবন

আপডেট সময় ১০:৩২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

 

ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভ আবারও রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় চালানো এ হামলায় একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

খারকিভের আঞ্চলিক গভর্নর ওলেহ সিনেইহুবভ জানান, রাশিয়ার আটটি ড্রোন শহরের তিনটি বেসামরিক এলাকায় আঘাত হানে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোর মধ্যে একটি চিকিৎসাকেন্দ্রও রয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধে এ অঞ্চল নিয়মিত রুশ হামলার শিকার হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন  রাশিয়ায় মাইক্রোসফট ও জুম নিষিদ্ধের আহ্বান দিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন

সিনেইহুবভ বলেন, হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে খারকিভের মেয়র ইহোর তেরেকহভ জানিয়েছেন, আহতের সংখ্যা সাতজন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে আবাসিক ভবনও রয়েছে।

হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান এবং ৫০ জনের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। চিকিৎসাকর্মীরা আহতদের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন।

এদিকে, ইউক্রেনের সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী কৌশলগতভাবে বেসামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে, যাতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা যায়। তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

খারকিভে ক্রমাগত হামলা ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। শহরটি একসময় শিল্প ও বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হলেও এখন রাশিয়ার লাগাতার হামলার কারণে এক ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর এ ধরনের হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

হামলার পর খারকিভের বাসিন্দারা আরও বড় ধরনের আক্রমণের আশঙ্কায় রয়েছেন। রাশিয়ার এমন আগ্রাসন প্রতিহত করতে ইউক্রেন কী কৌশল গ্রহণ করবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।