ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ইউরোপীয় নেতাদের দায়ী করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, নিশানায় ম্যাক্রোঁ ও স্টারমার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 148

ছবি সংগৃহীত

 

দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফিরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি রিয়াদে মার্কিন ও রুশ শীর্ষ কূটনীতিকদের মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও ইউক্রেন এবং ইউরোপীয় নেতাদের উপস্থিতি না থাকার কারণে আলোচনা তুমুল সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষত, ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যাপারে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল নেতা কিয়র স্টারমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

২১ ফেব্রুয়ারি ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “ম্যাক্রোঁ এবং স্টারমার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কিছুই করেননি।” তিনি উল্লেখ করেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর, ইউরোপের দেশগুলি অস্ত্র সহায়তা প্রদান করে আসছে, কিন্তু এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে।

আরও পড়ুন  ফরাসি নেতার দাবি: 'স্ট্যাচু অফ লিবারর্টি ফিরিয়ে দিন'

এই সময়ে, ট্রাম্প সৌদি আরবে রিয়াদে মার্কিন ও রুশ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠককে ফলপ্রসূ দাবি করেছেন, যদিও ইউক্রেন ও ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণ না জানানোয় এই বৈঠক নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবুও, ট্রাম্প ম্যাক্রোঁ ও স্টারমারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেও তাদের প্রতি কিছুটা প্রশংসাও জানান। তিনি ম্যাক্রোঁকে ‘বন্ধু’ এবং স্টারমারকে ‘ভালো মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পের সাথে খনিজ সম্পদের বিনিময়ে নতুন চুক্তি করার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যাতে ইউক্রেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। ট্রাম্প বলেছেন, “ইউক্রেনে শান্তি নিশ্চিত করতে হলে পুতিন এবং জেলেনস্কিকে এক হতে হবে।”

এছাড়া, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন, এবং জার্মানি ও ইউরোপের অবস্থান পরিষ্কার রেখেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ইউরোপীয় নেতাদের দায়ী করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, নিশানায় ম্যাক্রোঁ ও স্টারমার

আপডেট সময় ১১:৫৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফিরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি রিয়াদে মার্কিন ও রুশ শীর্ষ কূটনীতিকদের মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও ইউক্রেন এবং ইউরোপীয় নেতাদের উপস্থিতি না থাকার কারণে আলোচনা তুমুল সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশেষত, ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যাপারে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল নেতা কিয়র স্টারমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

২১ ফেব্রুয়ারি ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “ম্যাক্রোঁ এবং স্টারমার ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে কিছুই করেননি।” তিনি উল্লেখ করেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর, ইউরোপের দেশগুলি অস্ত্র সহায়তা প্রদান করে আসছে, কিন্তু এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন প্রস্তাব আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন: প্রেসিডেন্ট আব্বাস

এই সময়ে, ট্রাম্প সৌদি আরবে রিয়াদে মার্কিন ও রুশ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠককে ফলপ্রসূ দাবি করেছেন, যদিও ইউক্রেন ও ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণ না জানানোয় এই বৈঠক নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবুও, ট্রাম্প ম্যাক্রোঁ ও স্টারমারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেও তাদের প্রতি কিছুটা প্রশংসাও জানান। তিনি ম্যাক্রোঁকে ‘বন্ধু’ এবং স্টারমারকে ‘ভালো মানুষ’ হিসেবে অভিহিত করেন।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ট্রাম্পের সাথে খনিজ সম্পদের বিনিময়ে নতুন চুক্তি করার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যাতে ইউক্রেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। ট্রাম্প বলেছেন, “ইউক্রেনে শান্তি নিশ্চিত করতে হলে পুতিন এবং জেলেনস্কিকে এক হতে হবে।”

এছাড়া, জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন, এবং জার্মানি ও ইউরোপের অবস্থান পরিষ্কার রেখেছেন।