ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বনভোজন শেষে ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
  • / 33

ছবি সংগৃহীত

 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বনভোজন শেষে নৌকায় ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চাকলেশ্বর এলাকার একটি বিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  চাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চাঁদপুরে বাবা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

নিহতরা হলেন রংপুরের বাসিন্দা ও ইটভাটার শ্রমিক সাজ্জাত হোসেন এবং শেরপুর জেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নের খুজাউরা গ্রামের হাসমত মিয়ার ছেলে জিকুল মিয়া। সাজ্জাত প্রতিবছর নভেম্বর থেকে জুলাই পর্যন্ত ইটভাটায় কাজ করতেন এবং বর্তমানে বাসশ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জিকুল মিয়া বিডি ফুড কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তারা দুজনই গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ২৮ থেকে ৩০ জন একটি নৌকায় করে উপজেলার মহেড়া জমিদার বাড়ি (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) এলাকায় বনভোজনে যান। মাগরিবের নামাজের পর তারা ফতেপুর স্কুলঘাট থেকে নৌকাযোগে ফিরে আসছিলেন।

পথে থলপাড়া সেতু অতিক্রম করার পর নৌকাটি নদীর মূল পথ ছেড়ে থলপাড়া ও চাকলেশ্বর এলাকার বিলে প্রবেশ করে। এ সময় বিলের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে কয়েকজন যাত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

আহতদের দ্রুত মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এনায়েতুর রহমান সাজ্জাত হোসেন ও জিকুল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আহত রবিন মিয়া, লিপটন মিয়া, রানা আহমেদ ও মেহেদী হাসান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নৌকায় থাকা ইয়াছিন, সিয়াম ও আলম জানান, ফেরার সময় নৌকায় গান বাজছিল। ফতেপুর স্কুলঘাট ছাড়ার প্রায় আধাঘণ্টা পর তারা হঠাৎ বিদ্যুতের ঝলকানি দেখতে পান। পরে চিৎকার শুনে ঘটনাটি জানতে পারেন। রাত ৯টার দিকে আহতদের কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সুরতহাল শেষে নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আহতদের চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বনভোজন শেষে ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:২৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

 

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বনভোজন শেষে নৌকায় ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চাকলেশ্বর এলাকার একটি বিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  পঞ্চগড়ে ভুট্টাক্ষেতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

নিহতরা হলেন রংপুরের বাসিন্দা ও ইটভাটার শ্রমিক সাজ্জাত হোসেন এবং শেরপুর জেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নের খুজাউরা গ্রামের হাসমত মিয়ার ছেলে জিকুল মিয়া। সাজ্জাত প্রতিবছর নভেম্বর থেকে জুলাই পর্যন্ত ইটভাটায় কাজ করতেন এবং বর্তমানে বাসশ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জিকুল মিয়া বিডি ফুড কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তারা দুজনই গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ২৮ থেকে ৩০ জন একটি নৌকায় করে উপজেলার মহেড়া জমিদার বাড়ি (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) এলাকায় বনভোজনে যান। মাগরিবের নামাজের পর তারা ফতেপুর স্কুলঘাট থেকে নৌকাযোগে ফিরে আসছিলেন।

পথে থলপাড়া সেতু অতিক্রম করার পর নৌকাটি নদীর মূল পথ ছেড়ে থলপাড়া ও চাকলেশ্বর এলাকার বিলে প্রবেশ করে। এ সময় বিলের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে কয়েকজন যাত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন।

আহতদের দ্রুত মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এনায়েতুর রহমান সাজ্জাত হোসেন ও জিকুল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় আহত রবিন মিয়া, লিপটন মিয়া, রানা আহমেদ ও মেহেদী হাসান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নৌকায় থাকা ইয়াছিন, সিয়াম ও আলম জানান, ফেরার সময় নৌকায় গান বাজছিল। ফতেপুর স্কুলঘাট ছাড়ার প্রায় আধাঘণ্টা পর তারা হঠাৎ বিদ্যুতের ঝলকানি দেখতে পান। পরে চিৎকার শুনে ঘটনাটি জানতে পারেন। রাত ৯টার দিকে আহতদের কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সুরতহাল শেষে নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আহতদের চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।