ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

নূর আলী বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 132

ছবি: সংগৃহীত

ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নূর আলী এবং তার মালিকানাধীন নির্মাণপ্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। সিআইডির গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্প নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদনহীনভাবে ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করা হয় এবং সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ পরিচালনা করা হয়।

সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে এবং ডিএনসিসিকে তাদের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে বারবার চুক্তি সংশোধন করেছেন। এছাড়া, ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্রও নেওয়া হয়নি। নির্ধারিত উচ্চতা অতিক্রম করায় ভবনটি উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইন্টারনেট বন্ধ ও হত্যাযজ্ঞ মামলা: জয়-পলকের বিরুদ্ধে আজ বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্য

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অনুমোদনহীন এই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অর্জিত ১১৫ কোটি টাকার বেশি অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করা হয়েছে। সিআইডি জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন বেদখল করা সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হলে মানি লন্ডারিংয়ের অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরেও মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ৪০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নূর আলীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মানি লন্ডারিং মামলা করেছিল সিআইডি। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বর্তমানে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নূর আলী বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলা

আপডেট সময় ০৫:০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নূর আলী এবং তার মালিকানাধীন নির্মাণপ্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। সিআইডির গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্প নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদনহীনভাবে ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করা হয় এবং সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ পরিচালনা করা হয়।

সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে এবং ডিএনসিসিকে তাদের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে বারবার চুক্তি সংশোধন করেছেন। এছাড়া, ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্রও নেওয়া হয়নি। নির্ধারিত উচ্চতা অতিক্রম করায় ভবনটি উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  কর্ণাটকে ইসরায়েলি নারী পর্যটক ও স্থানীয় নারীর ধর্ষণ, পুলিশ মামলা দায়ের

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অনুমোদনহীন এই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অর্জিত ১১৫ কোটি টাকার বেশি অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করা হয়েছে। সিআইডি জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন বেদখল করা সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হলে মানি লন্ডারিংয়ের অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরেও মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ৪০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নূর আলীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মানি লন্ডারিং মামলা করেছিল সিআইডি। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বর্তমানে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।