নূর আলী বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলা
- আপডেট সময় ০৫:০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
- / 116
ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নূর আলী এবং তার মালিকানাধীন নির্মাণপ্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। সিআইডির গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্প নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদনহীনভাবে ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করা হয় এবং সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ পরিচালনা করা হয়।
সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না করে এবং ডিএনসিসিকে তাদের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে বারবার চুক্তি সংশোধন করেছেন। এছাড়া, ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্রও নেওয়া হয়নি। নির্ধারিত উচ্চতা অতিক্রম করায় ভবনটি উড়োজাহাজ চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অনুমোদনহীন এই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অর্জিত ১১৫ কোটি টাকার বেশি অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করা হয়েছে। সিআইডি জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন বেদখল করা সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হলে মানি লন্ডারিংয়ের অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরেও মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ৪০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নূর আলীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মানি লন্ডারিং মামলা করেছিল সিআইডি। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ঘাটন এবং আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বর্তমানে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


























