সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের আংশিক জামিন
- আপডেট সময় ১১:৩১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
- / 95
আদালত পাড়ায় গতকাল ছিল হাইপ্রোফাইল বন্দিদের জামিন আবেদনের দীর্ঘ শুনানি। সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে স্থায়ী জামিন পেলেও অপর একটি হত্যা মামলায় তার আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। একই দিনে তিনটি পৃথক মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তবে জামিন মেলেনি একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবুর।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শারীরিক অসুস্থতা ও দীর্ঘদিন কারাবাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আসামিপক্ষ জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ শাজিয়া শারমিন জানান, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হওয়া আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে নীলফামারী থানায় দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে গোলাম রাব্বানী হত্যা মামলায় তিনি স্থায়ী জামিন পেলেও সিদ্দিক আলীকে গাড়িচাপায় হত্যা মামলায় আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেছেন। ফলে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে এই সাবেক মন্ত্রীকে।
অন্যদিকে, সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের জন্য দিনটি ছিল স্বস্তির। ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও পঞ্চগড়ে দায়ের হওয়া তিনটি হত্যা মামলাতেই তিনি স্থায়ী জামিন পেয়েছেন। তার আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ যদি এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন না করে বা উচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ না দেয়, তবে সুজনের কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
তবে ভাগ্য সহায় হয়নি সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবুর। ২০০৭ সালে বৈশাখী টিভির কার্যালয়ে গিয়ে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি ও লুটপাটের অভিযোগে বনানী থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় তার জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সীমান্তে আটকের পর থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন। আদালতে সুজন ও বাবুর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও মো. মোতাহার হোসেন সাজু।

























