ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

‘আমি হারিনি, পদত্যাগ করব না’: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 93

ছবি:সংগৃহীত

 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে পরাজয় এবং টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলেও নাটকীয় অবস্থান নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এই নির্বাচনে হারেননি এবং বর্তমানে পদত্যাগ করার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। নির্বাচনের এই ফলাফলকে তিনি জনগণের রায় হিসেবে মানতে অস্বীকার করে একে বিজেপির ‘লুট করা ম্যান্ডেট’ বলে অভিহিত করেছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অভিযোগ করেন যে, অন্তত ১০০টি আসনে পরিকল্পিতভাবে কারচুপি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি হারিনি, তাই রাজভবনে যাওয়ার বা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।” তার দাবি, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে বিজেপির হয়ে ‘নোংরা খেলা’ খেলেছে এবং এভাবেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে নির্বাচন ‘চুরি’ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি; স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন কাল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে নিজের শারীরিক লাঞ্ছনার গুরুতর অভিযোগও তুলে ধরেন ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী। তিনি দাবি করেন, ভোট গণনাকালে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তার ওপর শারীরিক আক্রমণ চালানো হয়েছে। একজন নারী হিসেবে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিজের নির্বাচনী এলাকা ভবানীপুরে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়ার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও মমতা জানান, ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের জাতীয় পর্যায়ের নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল নেত্রীর এই অনমনীয় অবস্থান ও পদত্যাগ না করার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গে এক নজিরবিহীন সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আমি হারিনি, পদত্যাগ করব না’: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট সময় ১২:৪৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে পরাজয় এবং টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলেও নাটকীয় অবস্থান নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এই নির্বাচনে হারেননি এবং বর্তমানে পদত্যাগ করার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। নির্বাচনের এই ফলাফলকে তিনি জনগণের রায় হিসেবে মানতে অস্বীকার করে একে বিজেপির ‘লুট করা ম্যান্ডেট’ বলে অভিহিত করেছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অভিযোগ করেন যে, অন্তত ১০০টি আসনে পরিকল্পিতভাবে কারচুপি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি হারিনি, তাই রাজভবনে যাওয়ার বা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।” তার দাবি, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে বিজেপির হয়ে ‘নোংরা খেলা’ খেলেছে এবং এভাবেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে নির্বাচন ‘চুরি’ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি; স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন কাল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে নিজের শারীরিক লাঞ্ছনার গুরুতর অভিযোগও তুলে ধরেন ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী। তিনি দাবি করেন, ভোট গণনাকালে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তার ওপর শারীরিক আক্রমণ চালানো হয়েছে। একজন নারী হিসেবে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিজের নির্বাচনী এলাকা ভবানীপুরে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়ার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও মমতা জানান, ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের জাতীয় পর্যায়ের নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল নেত্রীর এই অনমনীয় অবস্থান ও পদত্যাগ না করার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গে এক নজিরবিহীন সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দিতে পারে।