ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

‘আমি হারিনি, পদত্যাগ করব না’: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 110

ছবি:সংগৃহীত

 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে পরাজয় এবং টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলেও নাটকীয় অবস্থান নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এই নির্বাচনে হারেননি এবং বর্তমানে পদত্যাগ করার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। নির্বাচনের এই ফলাফলকে তিনি জনগণের রায় হিসেবে মানতে অস্বীকার করে একে বিজেপির ‘লুট করা ম্যান্ডেট’ বলে অভিহিত করেছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অভিযোগ করেন যে, অন্তত ১০০টি আসনে পরিকল্পিতভাবে কারচুপি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি হারিনি, তাই রাজভবনে যাওয়ার বা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।” তার দাবি, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে বিজেপির হয়ে ‘নোংরা খেলা’ খেলেছে এবং এভাবেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে নির্বাচন ‘চুরি’ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  পাটওয়ারীকে ডিম: কী ঘটেছিল সেদিন, তদন্তে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি

সংবাদ সম্মেলনে নিজের শারীরিক লাঞ্ছনার গুরুতর অভিযোগও তুলে ধরেন ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী। তিনি দাবি করেন, ভোট গণনাকালে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তার ওপর শারীরিক আক্রমণ চালানো হয়েছে। একজন নারী হিসেবে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিজের নির্বাচনী এলাকা ভবানীপুরে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়ার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও মমতা জানান, ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের জাতীয় পর্যায়ের নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল নেত্রীর এই অনমনীয় অবস্থান ও পদত্যাগ না করার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গে এক নজিরবিহীন সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আমি হারিনি, পদত্যাগ করব না’: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট সময় ১২:৪৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে পরাজয় এবং টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটলেও নাটকীয় অবস্থান নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এই নির্বাচনে হারেননি এবং বর্তমানে পদত্যাগ করার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। নির্বাচনের এই ফলাফলকে তিনি জনগণের রায় হিসেবে মানতে অস্বীকার করে একে বিজেপির ‘লুট করা ম্যান্ডেট’ বলে অভিহিত করেছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অভিযোগ করেন যে, অন্তত ১০০টি আসনে পরিকল্পিতভাবে কারচুপি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি হারিনি, তাই রাজভবনে যাওয়ার বা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।” তার দাবি, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে বিজেপির হয়ে ‘নোংরা খেলা’ খেলেছে এবং এভাবেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে নির্বাচন ‘চুরি’ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  শিক্ষকদের অনাস্থায় কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগ

সংবাদ সম্মেলনে নিজের শারীরিক লাঞ্ছনার গুরুতর অভিযোগও তুলে ধরেন ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী। তিনি দাবি করেন, ভোট গণনাকালে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তার ওপর শারীরিক আক্রমণ চালানো হয়েছে। একজন নারী হিসেবে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নিজের নির্বাচনী এলাকা ভবানীপুরে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়ার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও মমতা জানান, ‘ইন্ডিয়া’ ব্লকের জাতীয় পর্যায়ের নেতারা তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল নেত্রীর এই অনমনীয় অবস্থান ও পদত্যাগ না করার ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গে এক নজিরবিহীন সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দিতে পারে।