ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মাঠ প্রশাসনে সুশাসন নিশ্চিতে ডিসি সম্মেলন: প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 79

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ থেকে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম এই শীর্ষ নীতিনির্ধারণী সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে সরকারের নীতি, দর্শন ও সুশাসনের রূপরেখা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কর্মযজ্ঞ শুরু হয়।

সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে পায়ে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের দিকে রওনা হন। এ সময় রাস্তার দু’পাশে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে সেই শুভেচ্ছার উত্তর দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  ‘অতীতের রাজনৈতিক বিতর্কে নয়, সামনে এগিয়ে যেতে হবে’: প্রধানমন্ত্রী

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের সম্মেলনে মোট ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশগ্রহণ করছে। চার দিনের কর্মসূচিতে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ৩০টিই হলো সরাসরি কার্য অধিবেশন। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের থেকে আসা ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯৮টি প্রস্তাব মূল কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবার সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব জমা পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সম্পর্কিত বিষয়ে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ এসব অধিবেশনে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।

এবারের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা।
এ ছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিতকরণ, ই-গভর্নেন্স, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলো নিয়ে নিবিড় আলোচনা করা হবে। অবকাঠামো উন্নয়নের সঠিক পরিবীক্ষণ নিয়েও কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

আগামী চার দিন ধরে চলমান এই আলোচনার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এই সমন্বয় সভার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সেবা পৌঁছানোর প্রক্রিয়া আরও সহজতর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাঠ প্রশাসনে সুশাসন নিশ্চিতে ডিসি সম্মেলন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৪৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ থেকে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম এই শীর্ষ নীতিনির্ধারণী সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে সরকারের নীতি, দর্শন ও সুশাসনের রূপরেখা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কর্মযজ্ঞ শুরু হয়।

সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে পায়ে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের দিকে রওনা হন। এ সময় রাস্তার দু’পাশে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে সেই শুভেচ্ছার উত্তর দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সফর: নিজ জেলা বগুড়ায় তারেক রহমান

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের সম্মেলনে মোট ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশগ্রহণ করছে। চার দিনের কর্মসূচিতে মোট ৩৪টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ৩০টিই হলো সরাসরি কার্য অধিবেশন। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের থেকে আসা ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৯৮টি প্রস্তাব মূল কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এবার সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব জমা পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সম্পর্কিত বিষয়ে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ এসব অধিবেশনে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।

এবারের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা।
এ ছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিতকরণ, ই-গভর্নেন্স, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মতো বিষয়গুলো নিয়ে নিবিড় আলোচনা করা হবে। অবকাঠামো উন্নয়নের সঠিক পরিবীক্ষণ নিয়েও কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।

আগামী চার দিন ধরে চলমান এই আলোচনার মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের এই সমন্বয় সভার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সেবা পৌঁছানোর প্রক্রিয়া আরও সহজতর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকেরা।