ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনেই দেশে এলো ২৪১ কোটি ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 162

ছবি: সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২২ দিনেই প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মাসের শুরু থেকে গত ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি মাসের প্রথম ২২ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বিপুল প্রবৃদ্ধি ঘটেছে।

আরও পড়ুন  সৌদি সরকারের নতুন নির্দেশনা: এবার হজ পালনে কড়াকড়ি শর্ত

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৮৬২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ২০ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

এর আগে গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড। বর্তমান অর্থবছরের শুরু থেকেই এই প্রবাহ স্থিতিশীল রয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ এবং ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এছাড়া গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে দেশে সর্বমোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল তৎকালীন রেকর্ড। তবে বর্তমান গতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এই অর্থবছরে আগের সব রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মূলত বৈধ পথে বা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে প্রবাসীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজতর করায় এই সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। প্রবাসীদের প্রেরিত এই অর্থ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনেই দেশে এলো ২৪১ কোটি ডলার

আপডেট সময় ০৮:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২২ দিনেই প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মাসের শুরু থেকে গত ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি মাসের প্রথম ২২ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বিপুল প্রবৃদ্ধি ঘটেছে।

আরও পড়ুন  সিডনিতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা; বাংলাদেশি প্রবাসী গ্রেফতার

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৮৬২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ২০ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

এর আগে গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড। বর্তমান অর্থবছরের শুরু থেকেই এই প্রবাহ স্থিতিশীল রয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ এবং ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এছাড়া গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে দেশে সর্বমোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল তৎকালীন রেকর্ড। তবে বর্তমান গতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এই অর্থবছরে আগের সব রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মূলত বৈধ পথে বা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে প্রবাসীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজতর করায় এই সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। প্রবাসীদের প্রেরিত এই অর্থ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।