ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনেই দেশে এলো ২৪১ কোটি ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 139

ছবি: সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২২ দিনেই প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মাসের শুরু থেকে গত ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি মাসের প্রথম ২২ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বিপুল প্রবৃদ্ধি ঘটেছে।

আরও পড়ুন  ভিজিট ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিল সৌদি পাসপোর্ট অধিদপ্তর

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৮৬২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ২০ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

এর আগে গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড। বর্তমান অর্থবছরের শুরু থেকেই এই প্রবাহ স্থিতিশীল রয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ এবং ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এছাড়া গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে দেশে সর্বমোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল তৎকালীন রেকর্ড। তবে বর্তমান গতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এই অর্থবছরে আগের সব রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মূলত বৈধ পথে বা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে প্রবাসীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজতর করায় এই সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। প্রবাসীদের প্রেরিত এই অর্থ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনেই দেশে এলো ২৪১ কোটি ডলার

আপডেট সময় ০৮:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২২ দিনেই প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মাসের শুরু থেকে গত ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি মাসের প্রথম ২২ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার প্রবাসী আয়ের প্রবাহে বিপুল প্রবৃদ্ধি ঘটেছে।

আরও পড়ুন  শীর্ষে রেমিট্যান্সের ধারা: মে মাসে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ ২৯৭ কোটি ডলার

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৮৬২ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ২০ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং বর্তমান সংকট কাটিয়ে উঠতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

এর আগে গত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড। বর্তমান অর্থবছরের শুরু থেকেই এই প্রবাহ স্থিতিশীল রয়েছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ এবং ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এছাড়া গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে দেশে সর্বমোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল তৎকালীন রেকর্ড। তবে বর্তমান গতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে এই অর্থবছরে আগের সব রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মূলত বৈধ পথে বা ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে প্রবাসীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজতর করায় এই সাফল্য অর্জিত হচ্ছে। প্রবাসীদের প্রেরিত এই অর্থ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।