ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মেসির জোড়া গোলে ইন্টার মায়ামির নাটকীয় জয় নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা ১৯ এপ্রিল ২০২৬ : আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম শেয়ারে রিকশা ও সিএনজি রাইড: বুয়েট শিক্ষার্থীদের নতুন অ্যাপ ‘জাইগো’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শ্বাসরোধ করে খুন হাজিদের জন্য নুসুক কার্ড বাধ্যতামূলক করে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা ইন্টারনেট বন্ধ ও হত্যাযজ্ঞ মামলা: জয়-পলকের বিরুদ্ধে আজ বিটিসিএল কর্মকর্তার সাক্ষ্য টাইব্রেকারে আতলেতিকোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রিয়াল সোসিয়েদাদ দুই দশক পর কাল পৈতৃক ভিটায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সিনপো থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

সিনপো থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 17

ছবি সংগৃহীত

 

কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব উপকূল লক্ষ্য করে আবারও একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান সরকারের পক্ষ থেকে আজ রোববার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ার এটি সপ্তম এবং শুধুমাত্র এপ্রিল মাসেই চতুর্থ দফার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, যা এই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, স্থানীয় সময় আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোর ৬টা ১০ মিনিটের দিকে উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় শহর সিনপো থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়।

আরও পড়ুন  উত্তর কোরিয়ার ট্রাম্পকে কড়া সমালোচনা: গাজা দখলের প্রস্তাবকে 'অবাস্তব' বলল কিমের দেশ

এই ঘটনার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়া তাদের সামরিক নজরদারি জোরদার করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিউল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে তথ্য বিনিময় করছে বলে জানানো হয়েছে।

জাপান সরকার সামাজিক মাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলে জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে সাগরে পতিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত জাপানের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা জলসীমায় অনুপ্রবেশের খবর পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় একটি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডেকেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই ঘনঘন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা মূলত তাদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল। বিশেষ করে সিনপো এলাকাটি উত্তর কোরিয়ার সাবমেরিন এবং সমুদ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ প্রযুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। আজকের এই পরীক্ষাটি কোনো স্থলভিত্তিক নাকি সাবমেরিন থেকে করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সিনপো থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

আপডেট সময় ০৯:২৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব উপকূল লক্ষ্য করে আবারও একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান সরকারের পক্ষ থেকে আজ রোববার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ার এটি সপ্তম এবং শুধুমাত্র এপ্রিল মাসেই চতুর্থ দফার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, যা এই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, স্থানীয় সময় আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোর ৬টা ১০ মিনিটের দিকে উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূলীয় শহর সিনপো থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়।

আরও পড়ুন  উত্তর কোরিয়ার ট্রাম্পকে কড়া সমালোচনা: গাজা দখলের প্রস্তাবকে 'অবাস্তব' বলল কিমের দেশ

এই ঘটনার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়া তাদের সামরিক নজরদারি জোরদার করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিউল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে তথ্য বিনিময় করছে বলে জানানো হয়েছে।

জাপান সরকার সামাজিক মাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলে জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে সাগরে পতিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত জাপানের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা জলসীমায় অনুপ্রবেশের খবর পাওয়া যায়নি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় একটি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডেকেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই ঘনঘন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা মূলত তাদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন এবং পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল। বিশেষ করে সিনপো এলাকাটি উত্তর কোরিয়ার সাবমেরিন এবং সমুদ্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ প্রযুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। আজকের এই পরীক্ষাটি কোনো স্থলভিত্তিক নাকি সাবমেরিন থেকে করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।