ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 119

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক কড়া বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিপ্লবী গার্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো জাহাজ নিয়ে আসাকে ‘শত্রুদের সঙ্গে সহযোগিতা’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এমনকি যেসব জাহাজ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই পথে চলাচলের চেষ্টা করবে, সেগুলোতে সরাসরি হামলা চালানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি হামলার ধ্বংসস্তূপের নিচে রয়ে গেছে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার, যখন ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তেহরানের অভিযোগ, তারা পথ সুগম করলেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব হিসেবে শনিবার পুনরায় প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় ইরান।

বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
“মার্কিন শত্রুরা ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়নি। তাই শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।”

পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে অবস্থানরত সব বাণিজ্যিক জাহাজকে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বিপ্লবী গার্ড। জাহাজগুলোকে বর্তমান অবস্থান থেকে না নড়তে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট বাঘের ঘালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধকে ‘বিবেচনাহীন এবং অজ্ঞতাপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “ইরানের জাহাজ যদি হরমুজ পার হতে না পারে, তবে অন্য কোনো দেশের জাহাজ পার হওয়াও অসম্ভব হবে।”

বিশ্বের অন্যতম প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের

আপডেট সময় ০৮:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক কড়া বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিপ্লবী গার্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো জাহাজ নিয়ে আসাকে ‘শত্রুদের সঙ্গে সহযোগিতা’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এমনকি যেসব জাহাজ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই পথে চলাচলের চেষ্টা করবে, সেগুলোতে সরাসরি হামলা চালানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাসহ নিহত ৭৮ জন

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার, যখন ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তেহরানের অভিযোগ, তারা পথ সুগম করলেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব হিসেবে শনিবার পুনরায় প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় ইরান।

বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
“মার্কিন শত্রুরা ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়নি। তাই শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।”

পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে অবস্থানরত সব বাণিজ্যিক জাহাজকে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বিপ্লবী গার্ড। জাহাজগুলোকে বর্তমান অবস্থান থেকে না নড়তে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট বাঘের ঘালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধকে ‘বিবেচনাহীন এবং অজ্ঞতাপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “ইরানের জাহাজ যদি হরমুজ পার হতে না পারে, তবে অন্য কোনো দেশের জাহাজ পার হওয়াও অসম্ভব হবে।”

বিশ্বের অন্যতম প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।