ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 103

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক কড়া বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিপ্লবী গার্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো জাহাজ নিয়ে আসাকে ‘শত্রুদের সঙ্গে সহযোগিতা’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এমনকি যেসব জাহাজ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই পথে চলাচলের চেষ্টা করবে, সেগুলোতে সরাসরি হামলা চালানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  যুদ্ধ বিরতিতে কঠোর শর্ত ইরানের, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা ছাড়া কোনো আপস নয়

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার, যখন ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তেহরানের অভিযোগ, তারা পথ সুগম করলেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব হিসেবে শনিবার পুনরায় প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় ইরান।

বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
“মার্কিন শত্রুরা ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়নি। তাই শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।”

পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে অবস্থানরত সব বাণিজ্যিক জাহাজকে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বিপ্লবী গার্ড। জাহাজগুলোকে বর্তমান অবস্থান থেকে না নড়তে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট বাঘের ঘালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধকে ‘বিবেচনাহীন এবং অজ্ঞতাপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “ইরানের জাহাজ যদি হরমুজ পার হতে না পারে, তবে অন্য কোনো দেশের জাহাজ পার হওয়াও অসম্ভব হবে।”

বিশ্বের অন্যতম প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ রাখার ঘোষণা ইরানের

আপডেট সময় ০৮:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক কড়া বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিপ্লবী গার্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো জাহাজ নিয়ে আসাকে ‘শত্রুদের সঙ্গে সহযোগিতা’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এমনকি যেসব জাহাজ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এই পথে চলাচলের চেষ্টা করবে, সেগুলোতে সরাসরি হামলা চালানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি হামলার পর আকাশসীমা বন্ধ করল ইরান, জরুরি অবস্থা জারি

ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার, যখন ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তেহরানের অভিযোগ, তারা পথ সুগম করলেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি। যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘বিশ্বাসভঙ্গ’ এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব হিসেবে শনিবার পুনরায় প্রণালিটি বন্ধ করে দেয় ইরান।

বিপ্লবী গার্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
“মার্কিন শত্রুরা ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেয়নি। তাই শনিবার সন্ধ্যা থেকে এই অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।”

পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরে অবস্থানরত সব বাণিজ্যিক জাহাজকে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে বিপ্লবী গার্ড। জাহাজগুলোকে বর্তমান অবস্থান থেকে না নড়তে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট বাঘের ঘালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধকে ‘বিবেচনাহীন এবং অজ্ঞতাপূর্ণ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “ইরানের জাহাজ যদি হরমুজ পার হতে না পারে, তবে অন্য কোনো দেশের জাহাজ পার হওয়াও অসম্ভব হবে।”

বিশ্বের অন্যতম প্রধান এই জ্বালানি সরবরাহ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।