ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশীয়ার জাহাজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 137

ছবি: সংগৃহীত

 

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে বিশালাকায় অয়েল ট্যাংকার ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জাহাজটি সফলভাবে বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তেল খালাসের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ‘প্রাইড শিপিং লাইনস’ নিশ্চিত করেছে যে, ২৭ হাজার টন জ্বালানি তেলবাহী এই জাহাজটি বর্তমানে বন্দরের আউটার অ্যানকরাজ বা বহির্নোঙর এলাকায় অবস্থান করছে। আজ (৯ এপ্রিল) সকালে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে জাহাজটিকে বার্থিং করানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার পরপরই পাইপলাইনের মাধ্যমে অকটেন খালাস শুরু হবে।

আরও পড়ুন  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠক

প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, “এমটি সেন্ট্রাল স্টার জাহাজটি ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। মালয়েশিয়া থেকে আমদানিকৃত এই বিশাল পরিমাণ অকটেন দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মজুদকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”

বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত মার্চ মাসজুড়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি আমদানির ব্যাপক কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। গত মাসে মোট ৩৩টি জ্বালানিবাহী জাহাজ এই বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে ১৫টি জাহাজ তেল, ৮টি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) এবং ৯টি এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) নিয়ে বন্দরে আগমন করে।

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রমজান ও পরবর্তী সময়ে পরিবহন ও শিল্প খাতে বাড়তি চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই আমদানি প্রক্রিয়া গতিশীল রাখা হয়েছে। নিয়মিত বিরতিতে জ্বালানিবাহী জাহাজ আসায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেটিতে বার্থিং করার পর মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা শেষে এই অকটেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) মূল ডিপোগুলোতে স্থানান্তর করা হবে। সেখান থেকেই সারা দেশে সরবরাহ করা হবে এই জ্বালানি।

বর্তমান বিশ্ববাজার ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রেক্ষাপটে এই পরিমাণ অকটেন আমদানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বন্দর ও বিপিসি কর্তৃপক্ষ। নিয়মিত আমদানি প্রবাহ বজায় থাকায় সংকট তৈরির কোনো আশঙ্কা নেই বলেও তারা আশ্বস্ত করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশীয়ার জাহাজ

আপডেট সময় ১১:৩২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

 

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার মেট্রিক টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে বিশালাকায় অয়েল ট্যাংকার ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জাহাজটি সফলভাবে বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তেল খালাসের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট ‘প্রাইড শিপিং লাইনস’ নিশ্চিত করেছে যে, ২৭ হাজার টন জ্বালানি তেলবাহী এই জাহাজটি বর্তমানে বন্দরের আউটার অ্যানকরাজ বা বহির্নোঙর এলাকায় অবস্থান করছে। আজ (৯ এপ্রিল) সকালে পতেঙ্গার ডলফিন জেটিতে জাহাজটিকে বার্থিং করানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার পরপরই পাইপলাইনের মাধ্যমে অকটেন খালাস শুরু হবে।

আরও পড়ুন  বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে ইরানের অতর্কিত হামলা

প্রাইড শিপিং লাইনসের ম্যানেজিং পার্টনার মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, “এমটি সেন্ট্রাল স্টার জাহাজটি ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে। মালয়েশিয়া থেকে আমদানিকৃত এই বিশাল পরিমাণ অকটেন দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মজুদকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”

বন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত মার্চ মাসজুড়ে চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি আমদানির ব্যাপক কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। গত মাসে মোট ৩৩টি জ্বালানিবাহী জাহাজ এই বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে ১৫টি জাহাজ তেল, ৮টি এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) এবং ৯টি এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) নিয়ে বন্দরে আগমন করে।

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রমজান ও পরবর্তী সময়ে পরিবহন ও শিল্প খাতে বাড়তি চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই আমদানি প্রক্রিয়া গতিশীল রাখা হয়েছে। নিয়মিত বিরতিতে জ্বালানিবাহী জাহাজ আসায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেটিতে বার্থিং করার পর মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা শেষে এই অকটেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) মূল ডিপোগুলোতে স্থানান্তর করা হবে। সেখান থেকেই সারা দেশে সরবরাহ করা হবে এই জ্বালানি।

বর্তমান বিশ্ববাজার ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রেক্ষাপটে এই পরিমাণ অকটেন আমদানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বন্দর ও বিপিসি কর্তৃপক্ষ। নিয়মিত আমদানি প্রবাহ বজায় থাকায় সংকট তৈরির কোনো আশঙ্কা নেই বলেও তারা আশ্বস্ত করেছেন।