ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 147

ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

আজ রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতকালে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যু এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কিছু স্মৃতিচিহ্ন ও উপহার তুলে দেন। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন ‘হোয়াইট হাউস’-এর একটি রেপ্লিকা। এছাড়া রাষ্ট্রদূত দুটি ঐতিহাসিক ছবি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন:
প্রথম ছবি: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের একটি দুর্লভ মুহূর্ত।
দ্বিতীয় ছবি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়রের ঐতিহাসিক সাক্ষাতের স্থিরচিত্র।

আরও পড়ুন  ইতালির প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় আসছেন: অভিবাসন বিষয়ক বৈঠক হবে বিশেষ গুরুত্বের সাথে

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, এই সাক্ষাৎ দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রা দেবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও নীতি নির্ধারকরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান,পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সরকারের আমলে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর ও ঐতিহাসিক ছবি উপহার প্রদান অত্যন্ত ইতিবাচক একটি ইঙ্গিত। এটি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রতি ওয়াশিংটনের সম্মান প্রদর্শন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৪:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

আজ রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতকালে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যু এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কিছু স্মৃতিচিহ্ন ও উপহার তুলে দেন। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন ‘হোয়াইট হাউস’-এর একটি রেপ্লিকা। এছাড়া রাষ্ট্রদূত দুটি ঐতিহাসিক ছবি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন:
প্রথম ছবি: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের একটি দুর্লভ মুহূর্ত।
দ্বিতীয় ছবি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়রের ঐতিহাসিক সাক্ষাতের স্থিরচিত্র।

আরও পড়ুন  শের-ই-বাংলা, প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ: তারেক রহমান

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, এই সাক্ষাৎ দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রা দেবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও নীতি নির্ধারকরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান,পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সরকারের আমলে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর ও ঐতিহাসিক ছবি উপহার প্রদান অত্যন্ত ইতিবাচক একটি ইঙ্গিত। এটি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রতি ওয়াশিংটনের সম্মান প্রদর্শন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।