ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সংসদে জুলাই সনদ ইস্যুতে মতভিন্নতা, সিদ্ধান্ত ঝুলে মঙ্গলবারে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / 131

ছবি সংগৃহীত

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নির্ধারণ নিয়ে আনা একটি মুলতবি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ও মন্ত্রীদের মধ্যে মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে। প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) রাত পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করে মাগরিবের বিরতির পর সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। তবে রাত সোয়া ৮টায় অধিবেশন মুলতবি হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে মঙ্গলবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে, রোববার বিরোধী দলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী পরিষদ গঠনের বিষয়ে একটি মুলতবি প্রস্তাব দেন, যা মঙ্গলবার আলোচনার জন্য নির্ধারিত রয়েছে।

আরও পড়ুন  সংবিধান সংস্কার পরিষদ শপথ শুরু হতেই বেরিয়ে গেলেন রুমিন-ইশরাক

ডেপুটি স্পিকার বলেন, একই বিষয়ে আগেই একটি প্রস্তাব গৃহীত ও আলোচনার সময় নির্ধারিত থাকায় বিধি অনুযায়ী নতুন করে একই বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণের সুযোগ নেই। তাই ইকবালের প্রস্তাবটি গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

তবে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যরা এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, দুইটি প্রস্তাবের বিষয়বস্তু আলাদা—একটি বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে, অন্যটি সরাসরি জুলাই সনদ নিয়ে। তাই এগুলো পৃথকভাবে আলোচনার সুযোগ থাকা উচিত।

একই মত দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, একটি প্রস্তাব বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে, অন্যটি আদেশ নিয়ে—যা ভিন্ন বিষয়। প্রয়োজনে আলাদা দিন নির্ধারণ করে আলোচনা করা যেতে পারে।

মন্ত্রীদের বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার জানান, বিষয়টি আরও গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে। তবে অধিবেশন শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় এখন সবার দৃষ্টি মঙ্গলবারের অধিবেশনের দিকে—প্রস্তাবটি আলাদাভাবে গ্রহণ করা হবে, নাকি পূর্বের প্রস্তাবের সঙ্গেই যুক্ত করা হবে, সেটিই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদে জুলাই সনদ ইস্যুতে মতভিন্নতা, সিদ্ধান্ত ঝুলে মঙ্গলবারে

আপডেট সময় ১২:০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নির্ধারণ নিয়ে আনা একটি মুলতবি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ও মন্ত্রীদের মধ্যে মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে। প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) রাত পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করে মাগরিবের বিরতির পর সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। তবে রাত সোয়া ৮টায় অধিবেশন মুলতবি হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে মঙ্গলবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে, রোববার বিরোধী দলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’ অনুযায়ী পরিষদ গঠনের বিষয়ে একটি মুলতবি প্রস্তাব দেন, যা মঙ্গলবার আলোচনার জন্য নির্ধারিত রয়েছে।

আরও পড়ুন  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট শুরু

ডেপুটি স্পিকার বলেন, একই বিষয়ে আগেই একটি প্রস্তাব গৃহীত ও আলোচনার সময় নির্ধারিত থাকায় বিধি অনুযায়ী নতুন করে একই বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণের সুযোগ নেই। তাই ইকবালের প্রস্তাবটি গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

তবে মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্যরা এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, দুইটি প্রস্তাবের বিষয়বস্তু আলাদা—একটি বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে, অন্যটি সরাসরি জুলাই সনদ নিয়ে। তাই এগুলো পৃথকভাবে আলোচনার সুযোগ থাকা উচিত।

একই মত দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, একটি প্রস্তাব বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে, অন্যটি আদেশ নিয়ে—যা ভিন্ন বিষয়। প্রয়োজনে আলাদা দিন নির্ধারণ করে আলোচনা করা যেতে পারে।

মন্ত্রীদের বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার জানান, বিষয়টি আরও গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হবে। তবে অধিবেশন শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় এখন সবার দৃষ্টি মঙ্গলবারের অধিবেশনের দিকে—প্রস্তাবটি আলাদাভাবে গ্রহণ করা হবে, নাকি পূর্বের প্রস্তাবের সঙ্গেই যুক্ত করা হবে, সেটিই দেখার বিষয়।