উপদেষ্টা নিয়োগের চিঠি নিয়ে বিস্তারিত প্রকাশ মন্ত্রণালয়ের
- আপডেট সময় ০৮:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
- / 1
বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের উপদেষ্টাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা করার বিষয়ে যে চিঠি পাঠানো হয়েছিল, সেখানে তাঁর স্বাক্ষর রয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে ওই চিঠির পুরো বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, জামায়াত আমির লিখিতভাবে সম্মতি দিলে চিঠিটির সম্পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।
মঙ্গলবার একটি জাতীয় পত্রিকায় এই চিঠি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয় জামায়াতে ইসলামী। দলের মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের বিষয়ে তারা চিঠি পাঠিয়েছিলেন ঠিকই, তবে চিঠি পাঠানোর সময় আমিরের নির্দেশনা না মেনে অতিরিক্ত কিছু বিষয় যোগ করা হয়েছে।
এ কারণে জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসানকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এর পরদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়। এতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ডক্টর মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি চিঠি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পাঠান। পরে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও হস্তান্তর করেন।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, চিঠিটি বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা ছিল। সেখানে ডক্টর মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।
চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতা তাঁর দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে তাঁকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান। চিঠির নিচে শুধু বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিরোধীদলীয় নেতা লিখিতভাবে সম্মতি দিলে চিঠিটির পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত রয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
একই সঙ্গে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রণালয় জানায়, সেখানে বলা হয়েছিল যে জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করে জানানো হয়েছে—চিঠির বিষয়ে জামায়াতের আমির অবগত ছিলেন না। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ ঘটেনি।























