ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

এনবিআরের নাম পরিবর্তন হচ্ছে, থাকবে দুটি নতুন বিভাগ: জ্বালানি উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 534

ছবি সংগৃহীত

 

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নামটি আর থাকছে না। এর পরিবর্তে গঠিত হচ্ছে ‘রাজস্ব নীতি’ ও ‘রাজস্ব বাস্তবায়ন’ নামে দুটি পৃথক বিভাগ। প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা সচিব নিয়োগ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  সিন্ডিকেট রুখতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

রোববার (১৩ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান তিনি। দেশের সার্বিক রাজস্ব আহরণ, শিল্প-বাণিজ্য ও ব্যবসা কার্যক্রম উন্নয়নে গঠিত উপদেষ্টা কমিটির সভাপতিও তিনি।

ফাওজুল কবির খান বলেন, “এনবিআর নামটির প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। সেই ভাবমূর্তি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার নতুন কাঠামোতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে। এখন থেকে ‘রাজস্ব নীতি’ ও ‘রাজস্ব বাস্তবায়ন’ নামে দুটি স্বাধীন বিভাগ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এতে করে নীতিনির্ধারণ এবং বাস্তবায়ন আলাদা হওয়ার ফলে কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।”

তিনি আরও জানান, এনবিআর সংস্কার নিয়ে যে অধ্যাদেশ করা হয়েছে, সেখানে কিছু সমস্যা ও শব্দ গঠনে অসঙ্গতি রয়েছে। উপদেষ্টা কমিটি এসব ত্রুটি চিহ্নিত করে সংশোধনের সুপারিশ করবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে এনবিআর একটি সংস্থার অধীনেই নীতিনির্ধারণ এবং বাস্তবায়নের কাজ করে আসছিল। এতে করে মাঝে মাঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি ও দ্বন্দ্ব দেখা দিত। নতুন এই কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব খাতে গতি ও দক্ষতা আনতে চায়।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একইসঙ্গে করদাতাদের আস্থা ফিরবে এবং বিনিয়োগ পরিবেশ আরও সহনশীল হবে।

সরকারের এই উদ্যোগকে যুগোপযোগী ও কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বাস্তবে এই কাঠামো কতটা সফল হয়, তা সময়ই বলে দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এনবিআরের নাম পরিবর্তন হচ্ছে, থাকবে দুটি নতুন বিভাগ: জ্বালানি উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:৪৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নামটি আর থাকছে না। এর পরিবর্তে গঠিত হচ্ছে ‘রাজস্ব নীতি’ ও ‘রাজস্ব বাস্তবায়ন’ নামে দুটি পৃথক বিভাগ। প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা সচিব নিয়োগ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  কারাগারে নিরাপত্তা ও মানবাধিকার একসঙ্গে নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

রোববার (১৩ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান তিনি। দেশের সার্বিক রাজস্ব আহরণ, শিল্প-বাণিজ্য ও ব্যবসা কার্যক্রম উন্নয়নে গঠিত উপদেষ্টা কমিটির সভাপতিও তিনি।

ফাওজুল কবির খান বলেন, “এনবিআর নামটির প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। সেই ভাবমূর্তি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার নতুন কাঠামোতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে। এখন থেকে ‘রাজস্ব নীতি’ ও ‘রাজস্ব বাস্তবায়ন’ নামে দুটি স্বাধীন বিভাগ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এতে করে নীতিনির্ধারণ এবং বাস্তবায়ন আলাদা হওয়ার ফলে কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।”

তিনি আরও জানান, এনবিআর সংস্কার নিয়ে যে অধ্যাদেশ করা হয়েছে, সেখানে কিছু সমস্যা ও শব্দ গঠনে অসঙ্গতি রয়েছে। উপদেষ্টা কমিটি এসব ত্রুটি চিহ্নিত করে সংশোধনের সুপারিশ করবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে এনবিআর একটি সংস্থার অধীনেই নীতিনির্ধারণ এবং বাস্তবায়নের কাজ করে আসছিল। এতে করে মাঝে মাঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরগতি ও দ্বন্দ্ব দেখা দিত। নতুন এই কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব খাতে গতি ও দক্ষতা আনতে চায়।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিবর্তন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একইসঙ্গে করদাতাদের আস্থা ফিরবে এবং বিনিয়োগ পরিবেশ আরও সহনশীল হবে।

সরকারের এই উদ্যোগকে যুগোপযোগী ও কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বাস্তবে এই কাঠামো কতটা সফল হয়, তা সময়ই বলে দেবে।