ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ছাত্র আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের কোনো পরামর্শ নিইনি: সংসদে নুর সংবিধান সংশোধন কমিটি: বিরোধী দলের কাছে ৫ সদস্যের নাম চাইলেন আইনমন্ত্রী ফ্রান্স শিল্প, সংস্কৃতি আর বিশ্বসভ্যতার এক অনন্য কেন্দ্র বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে চান নেইমার স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায়, গৃহশিক্ষক রনির মৃত্যুদণ্ড নেত্রকোণায় তিন নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে ‘দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছে নাহিদ ইসলাম: রাশেদ খাঁন সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস, শিগগিরই ফিরছেন দেশে গ্রাফিক আর্টস ও মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ

যুদ্ধের মাঝেও বন্দরে নোঙর করল আট জ্বালানিবাহী জাহাজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / 60

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও গ্যাস ও তেলবাহী আটটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর-এ এসে পৌঁছেছে। এতে আপাতত দেশের জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার সকালে এসব জ্বালানিবাহী জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। জানা গেছে, জাহাজগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছিল।

আরও পড়ুন  ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আরও তিনটি আসছে

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজগুলো বন্দরে পৌঁছেছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে জ্বালানি খালাসের কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় গত শুক্রবার থেকে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ওই পথ দিয়ে নতুন করে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারছে না।

তবে যুদ্ধ শুরুর আগেই প্রণালি অতিক্রম করা জাহাজগুলো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে পৌঁছালেও পরবর্তী জাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দরে আটকা পড়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরব, কাতার ও দুবাই-এর কয়েকটি বন্দর রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরিকল্পনা করতে হতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

যুদ্ধের মাঝেও বন্দরে নোঙর করল আট জ্বালানিবাহী জাহাজ

আপডেট সময় ০১:১৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও গ্যাস ও তেলবাহী আটটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর-এ এসে পৌঁছেছে। এতে আপাতত দেশের জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রোববার সকালে এসব জ্বালানিবাহী জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। জানা গেছে, জাহাজগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছিল।

আরও পড়ুন  ১৬টি জ্বালানিবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে, আরও তিনটি আসছে

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজগুলো বন্দরে পৌঁছেছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে জ্বালানি খালাসের কার্যক্রম শুরু হবে।

এদিকে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় গত শুক্রবার থেকে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর সীমা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ওই পথ দিয়ে নতুন করে জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচল করতে পারছে না।

তবে যুদ্ধ শুরুর আগেই প্রণালি অতিক্রম করা জাহাজগুলো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে পৌঁছালেও পরবর্তী জাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দরে আটকা পড়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরব, কাতার ও দুবাই-এর কয়েকটি বন্দর রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরিকল্পনা করতে হতে পারে।