ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায়, গৃহশিক্ষক রনির মৃত্যুদণ্ড নেত্রকোণায় তিন নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে ‘দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছে নাহিদ ইসলাম: রাশেদ খাঁন সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস, শিগগিরই ফিরছেন দেশে গ্রাফিক আর্টস ও মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ দেশের অর্থনীতি চাঙা করতে ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের নতুন ইউনিফর্মের মডেল চূড়ান্ত; জুলাই থেকে বিতরণ শুরু নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে বৃষ্টির বাগড়া, বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে শঙ্কা বজ্রপাত থেকে বাঁচতে জরুরি ১০ সতর্কতা

নেত্রকোণায় তিন নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 9

ছবি: সংগৃহীত

টানা ভারী বর্ষণ আর ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার কংস, সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর পানি বর্তমানে প্রাক-মৌসুমী বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সহস্রাধিক হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন জানান, কংস নদীর পানি জারিয়া ঝাঞ্জাইল পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার এবং কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানি ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া নেত্রকোণা পয়েন্টে মগরা নদীর পানিও বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে এবং বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে।

কলমাকান্দা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢলের পানির চাপে ইতিমধ্যে আঙ্গাজোরা ও আহাম্মকখালি বাঁধ ভেঙে উপজেলা সদরের বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। অন্তত ১ হাজার ২৬৫ হেক্টর আবাদি জমি প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কলমাকান্দা সদর, বড়খাপন ও পোগলা ইউনিয়নের গ্রামগুলো বর্তমানে পানির চাপে রয়েছে।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও এখনো বড় আকারের বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে উপজেলা প্রশাসন পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনীম জাহানও জানিয়েছেন, কংস নদীর পানি বাড়লেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিবন্দি মানুষের জন্য ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর চাহিদা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় তিন নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে

আপডেট সময় ০৫:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ আর ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার কংস, সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর পানি বর্তমানে প্রাক-মৌসুমী বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সহস্রাধিক হেক্টর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন জানান, কংস নদীর পানি জারিয়া ঝাঞ্জাইল পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার এবং কলমাকান্দা পয়েন্টে সোমেশ্বরী নদীর পানি ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া নেত্রকোণা পয়েন্টে মগরা নদীর পানিও বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে। অন্যান্য নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে এবং বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে।

কলমাকান্দা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢলের পানির চাপে ইতিমধ্যে আঙ্গাজোরা ও আহাম্মকখালি বাঁধ ভেঙে উপজেলা সদরের বিভিন্ন গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। অন্তত ১ হাজার ২৬৫ হেক্টর আবাদি জমি প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কলমাকান্দা সদর, বড়খাপন ও পোগলা ইউনিয়নের গ্রামগুলো বর্তমানে পানির চাপে রয়েছে।

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও এখনো বড় আকারের বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে উপজেলা প্রশাসন পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনীম জাহানও জানিয়েছেন, কংস নদীর পানি বাড়লেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিবন্দি মানুষের জন্য ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর চাহিদা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।