ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জ্যামাইকা: সংগীত, সমুদ্র আর সংস্কৃতির প্রাণবন্ত দ্বীপ দিনাজপুরের হিলিতে সরকারি দপ্তরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ: গ্রেপ্তার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আ.লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের বিধান রেখে সংসদে পাস হচ্ছে সংশোধিত অধ্যাদেশ সাফজয়ী ফুটবলারদের ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা দিচ্ছে বাফুফে দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি জেডিপি’র ৯০ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: আহ্বায়ক নাঈম, সদস্য সচিব আব্দুল আলিম কুষ্টিয়ায় হামের প্রকোপ: আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২০ সড়ক-রেল-নৌপথে মার্চে হতাহত ২৫০০ ছুঁইছুঁই; দুর্ঘটনার মূল কারণ বেপরোয়া গতি ও অব্যবস্থাপনা কদমতলীতে গ্যাসলাইটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন; ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট আজকের নামাজের সময়সূচি: ৪ এপ্রিল ২০২৬

স্বচ্ছতার নজির: সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 781

ছবি: সংগৃহীত

 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পদের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বিবরণী প্রকাশ করা হয়।

এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো।

আরও পড়ুন  সরকার কখনও মব জাস্টিসকে বরদাশত করে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তাঁর সরকারের সকল উপদেষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর জারি করা নীতিমালার ভিত্তিতে উপদেষ্টাদের ২০২৪ সালের ৩০ জুন এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্জিত সম্পদের বিস্তারিত তথ্য এখন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কেবল উপদেষ্টারা নন, তাঁদের স্বামী বা স্ত্রীদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাবও এই বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় উপদেষ্টা পদমর্যাদার বিশেষ সহকারী ও বিশেষ দূতরাও রয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই পদক্ষেপ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর পূর্ববর্তী ভাষণে জানিয়েছিলেন, উপদেষ্টাদের মাধ্যমে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া সব সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও নিয়মিত এবং বাধ্যতামূলক করা হবে। আজকের প্রজ্ঞাপন সেই প্রক্রিয়ারই প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার’ ও ‘জবাবদিহিতার’ এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বচ্ছতার নজির: সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা

আপডেট সময় ০৮:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পদের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বিবরণী প্রকাশ করা হয়।

এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো।

আরও পড়ুন  রাজধানীর সব বাস একীভূত ব্যবস্থায় পরিচালনার ঘোষণা

২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তাঁর সরকারের সকল উপদেষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর জারি করা নীতিমালার ভিত্তিতে উপদেষ্টাদের ২০২৪ সালের ৩০ জুন এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্জিত সম্পদের বিস্তারিত তথ্য এখন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কেবল উপদেষ্টারা নন, তাঁদের স্বামী বা স্ত্রীদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাবও এই বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় উপদেষ্টা পদমর্যাদার বিশেষ সহকারী ও বিশেষ দূতরাও রয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই পদক্ষেপ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর পূর্ববর্তী ভাষণে জানিয়েছিলেন, উপদেষ্টাদের মাধ্যমে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া সব সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও নিয়মিত এবং বাধ্যতামূলক করা হবে। আজকের প্রজ্ঞাপন সেই প্রক্রিয়ারই প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার’ ও ‘জবাবদিহিতার’ এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।