ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের

স্বচ্ছতার নজির: সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1067

ছবি: সংগৃহীত

 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পদের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বিবরণী প্রকাশ করা হয়।

এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো।

আরও পড়ুন  চালের দাম নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা

২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তাঁর সরকারের সকল উপদেষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর জারি করা নীতিমালার ভিত্তিতে উপদেষ্টাদের ২০২৪ সালের ৩০ জুন এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্জিত সম্পদের বিস্তারিত তথ্য এখন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কেবল উপদেষ্টারা নন, তাঁদের স্বামী বা স্ত্রীদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাবও এই বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় উপদেষ্টা পদমর্যাদার বিশেষ সহকারী ও বিশেষ দূতরাও রয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই পদক্ষেপ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর পূর্ববর্তী ভাষণে জানিয়েছিলেন, উপদেষ্টাদের মাধ্যমে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া সব সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও নিয়মিত এবং বাধ্যতামূলক করা হবে। আজকের প্রজ্ঞাপন সেই প্রক্রিয়ারই প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার’ ও ‘জবাবদিহিতার’ এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বচ্ছতার নজির: সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা

আপডেট সময় ০৮:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পদের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বিবরণী প্রকাশ করা হয়।

এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো।

আরও পড়ুন  আওয়ামী লীগের বিচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব সরকারের: চিফ প্রসিকিউটর

২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তাঁর সরকারের সকল উপদেষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর জারি করা নীতিমালার ভিত্তিতে উপদেষ্টাদের ২০২৪ সালের ৩০ জুন এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্জিত সম্পদের বিস্তারিত তথ্য এখন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কেবল উপদেষ্টারা নন, তাঁদের স্বামী বা স্ত্রীদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাবও এই বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় উপদেষ্টা পদমর্যাদার বিশেষ সহকারী ও বিশেষ দূতরাও রয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ফেরাতে এই পদক্ষেপ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর পূর্ববর্তী ভাষণে জানিয়েছিলেন, উপদেষ্টাদের মাধ্যমে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া সব সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও নিয়মিত এবং বাধ্যতামূলক করা হবে। আজকের প্রজ্ঞাপন সেই প্রক্রিয়ারই প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার’ ও ‘জবাবদিহিতার’ এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল।