ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন যেতে পারবেন পর্যটকরা: পরিবেশ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 1018

ছবি সংগৃহীত

 

পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকরা যেতে পারবেন ।

রোববার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পহেলা নভেম্বর থেকে পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যেতে পারবেন। তবে সেখানে তারা রাত্রিযাপন করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন  চীনের আগ্রহ: বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির পরিকল্পনা

উল্লেখ্য, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে নয় মাসের জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ ছিল। এতে দ্বীপের পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলও। যাতায়াত বন্ধ থাকায় জেটিঘাট এখন সুনসান নীরব, কর্মহীন সময় কাটাচ্ছেন জাহাজের কর্মচারীরা।

সরকার জানিয়েছিল, সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দ্বীপটিকে স্থানীয় জনগণকেন্দ্রিক টেকসই পর্যটন অঞ্চলে রূপ দিতে কাজ চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন যেতে পারবেন পর্যটকরা: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:২৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

 

পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকরা যেতে পারবেন ।

রোববার (১৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘পহেলা নভেম্বর থেকে পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যেতে পারবেন। তবে সেখানে তারা রাত্রিযাপন করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন  উর্ধ্বমুখী কিশোর অপরাধ! মাত্র ২ বছরে গ্যাং সংখ্যা বাড়ল ৩৭% 

উল্লেখ্য, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে নয় মাসের জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক প্রবেশ বন্ধ ছিল। এতে দ্বীপের পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলও। যাতায়াত বন্ধ থাকায় জেটিঘাট এখন সুনসান নীরব, কর্মহীন সময় কাটাচ্ছেন জাহাজের কর্মচারীরা।

সরকার জানিয়েছিল, সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দ্বীপটিকে স্থানীয় জনগণকেন্দ্রিক টেকসই পর্যটন অঞ্চলে রূপ দিতে কাজ চলছে।