ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ডলার ও বন্ডের সুদ বেড়েছে, বিপাকে ইয়েন ও বৈশ্বিক মুদ্রাবাজার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 471

ছবি সংগৃহীত

 

আজ বুধবার মার্কিন ডলার ও সরকারি বন্ডের সুদের হার একসঙ্গে বাড়ায় বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে জাপানি ইয়েন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাব বাজারে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে।

গত জুনে কফি, সাউন্ডসিস্টেম ও আসবাবের মতো আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বেড়ে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ পরিস্থিতিতে ফেডারেল রিজার্ভ হয়তো আর সুদের হার কমাবে না। ফলে ডলারের মান ও বন্ডের সুদ উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র

সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে ইয়েনের মানে। ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মান নেমে গেছে চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। এখন প্রতি ডলারে পাওয়া যাচ্ছে ১৪৯.০৩ ইয়েন, যা আগের দিনের ১৪৮.৯০ থেকে কম। একইসঙ্গে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের মানও তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ইউরো এখন ১.১৬০৮ ডলার ও পাউন্ড ১.৩৩৯৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ে ইভলিন পার্টনার্সের কৌশলবিদ ন্যাথানিয়েল কেসি বলেন, “শুল্কের প্রভাবে বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে, যা সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যদিও এখনই তা নিয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা কঠিন।”

তিনি আরও বলেন, খাদ্য ও জ্বালানি ব্যতীত অন্যান্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে শুল্ক বাড়ার অনিশ্চয়তার কারণে ফেডের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা হতে পারে।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, ডিসেম্বর নাগাদ সুদের হার কমার সম্ভাবনা কমে ৪৩ বেসিস পয়েন্টে নেমে আসবে যা সপ্তাহের শুরুতে ছিল ৫০ পয়েন্টের ওপরে। আজ ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন বন্ডের সুদ এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪.৪৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে। দুই বছর মেয়াদি বন্ডের সুদ ৩.৯৫ শতাংশের কিছু ওপরে রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ডলার বেশ শক্তিশালী অবস্থানে আছে। বিশ্বের প্রধান ছয়টি মুদ্রার বিপরীতে ডলারের সূচক দাঁড়িয়েছে এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, ৯৮.৬০-এর কাছাকাছি।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার গতকাল কমে যায় ০.৪৫ শতাংশ। তবে আজ সকালে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.৬৫১৭ ডলারে। নিউজিল্যান্ড ডলারের মান বেড়েছে ০.১৭ শতাংশ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ডলার ও বন্ডের সুদ বেড়েছে, বিপাকে ইয়েন ও বৈশ্বিক মুদ্রাবাজার

আপডেট সময় ১২:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

আজ বুধবার মার্কিন ডলার ও সরকারি বন্ডের সুদের হার একসঙ্গে বাড়ায় বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে জাপানি ইয়েন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদন বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাব বাজারে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে।

গত জুনে কফি, সাউন্ডসিস্টেম ও আসবাবের মতো আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বেড়ে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এ পরিস্থিতিতে ফেডারেল রিজার্ভ হয়তো আর সুদের হার কমাবে না। ফলে ডলারের মান ও বন্ডের সুদ উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র

সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে ইয়েনের মানে। ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মান নেমে গেছে চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। এখন প্রতি ডলারে পাওয়া যাচ্ছে ১৪৯.০৩ ইয়েন, যা আগের দিনের ১৪৮.৯০ থেকে কম। একইসঙ্গে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের মানও তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ইউরো এখন ১.১৬০৮ ডলার ও পাউন্ড ১.৩৩৯৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ে ইভলিন পার্টনার্সের কৌশলবিদ ন্যাথানিয়েল কেসি বলেন, “শুল্কের প্রভাবে বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে, যা সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যদিও এখনই তা নিয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা কঠিন।”

তিনি আরও বলেন, খাদ্য ও জ্বালানি ব্যতীত অন্যান্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে শুল্ক বাড়ার অনিশ্চয়তার কারণে ফেডের সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা হতে পারে।

বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, ডিসেম্বর নাগাদ সুদের হার কমার সম্ভাবনা কমে ৪৩ বেসিস পয়েন্টে নেমে আসবে যা সপ্তাহের শুরুতে ছিল ৫০ পয়েন্টের ওপরে। আজ ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন বন্ডের সুদ এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪.৪৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে। দুই বছর মেয়াদি বন্ডের সুদ ৩.৯৫ শতাংশের কিছু ওপরে রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ডলার বেশ শক্তিশালী অবস্থানে আছে। বিশ্বের প্রধান ছয়টি মুদ্রার বিপরীতে ডলারের সূচক দাঁড়িয়েছে এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ, ৯৮.৬০-এর কাছাকাছি।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার গতকাল কমে যায় ০.৪৫ শতাংশ। তবে আজ সকালে সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ০.৬৫১৭ ডলারে। নিউজিল্যান্ড ডলারের মান বেড়েছে ০.১৭ শতাংশ।