ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 694

ছবি সংগৃহীত

 

 

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ৮ বছরের শিশুর ধর্ষণের শিকার

রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ হামিদ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আনোয়ার হোসেন আনু যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার ডাকাতিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে মানিকগঞ্জ শহরের পূর্ব দাশড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নিজ ঘরে নিজের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করেন আনু। মেয়ের আর্তচিৎকারে মায়ের ঘুম ভেঙে গেলে তিনিও চিৎকার করেন। এতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তখন পালিয়ে যান আনু।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর মা মানিকগঞ্জ সদর থানায় আনুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঘটনার তদন্ত শেষে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুজ্জামান ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সব প্রমাণ ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে আনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, “এটি একটি ভয়াবহ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

মানিকগঞ্জে এই নৃশংস ঘটনার রায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনেকে রায়ের প্রশংসা করে বলেন, এমন অপরাধের কঠোর শাস্তিই হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অমানবিক কাজ করার সাহস না পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:২৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নারী ও শিশু ধর্ষণে ভয়াবহ উর্ধ্বগতি: মার্চেই ১৬৩টি মামলা

রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ হামিদ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আনোয়ার হোসেন আনু যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার ডাকাতিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে মানিকগঞ্জ শহরের পূর্ব দাশড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নিজ ঘরে নিজের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করেন আনু। মেয়ের আর্তচিৎকারে মায়ের ঘুম ভেঙে গেলে তিনিও চিৎকার করেন। এতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তখন পালিয়ে যান আনু।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর মা মানিকগঞ্জ সদর থানায় আনুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঘটনার তদন্ত শেষে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুজ্জামান ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সব প্রমাণ ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে আনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, “এটি একটি ভয়াবহ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

মানিকগঞ্জে এই নৃশংস ঘটনার রায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনেকে রায়ের প্রশংসা করে বলেন, এমন অপরাধের কঠোর শাস্তিই হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অমানবিক কাজ করার সাহস না পায়।