ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 402

ছবি সংগৃহীত

 

 

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  শিশু আছিয়ার হত্যার মামলা: রায় আজ, জনগণের প্রতীক্ষা

রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ হামিদ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আনোয়ার হোসেন আনু যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার ডাকাতিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে মানিকগঞ্জ শহরের পূর্ব দাশড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নিজ ঘরে নিজের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করেন আনু। মেয়ের আর্তচিৎকারে মায়ের ঘুম ভেঙে গেলে তিনিও চিৎকার করেন। এতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তখন পালিয়ে যান আনু।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর মা মানিকগঞ্জ সদর থানায় আনুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঘটনার তদন্ত শেষে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুজ্জামান ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সব প্রমাণ ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে আনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, “এটি একটি ভয়াবহ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

মানিকগঞ্জে এই নৃশংস ঘটনার রায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনেকে রায়ের প্রশংসা করে বলেন, এমন অপরাধের কঠোর শাস্তিই হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অমানবিক কাজ করার সাহস না পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৬:২৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

মানিকগঞ্জে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণ আহ্বান, কঠিন পরিণতির হুমকি নতুন প্রেসিডেন্টের- ১৬২ আসাদপন্থির ‘মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ হামিদ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আনোয়ার হোসেন আনু যশোর জেলার কোতোয়ালি মডেল থানার ডাকাতিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে মানিকগঞ্জ শহরের পূর্ব দাশড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নিজ ঘরে নিজের কন্যা শিশুকে ধর্ষণ করেন আনু। মেয়ের আর্তচিৎকারে মায়ের ঘুম ভেঙে গেলে তিনিও চিৎকার করেন। এতে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তখন পালিয়ে যান আনু।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগীর মা মানিকগঞ্জ সদর থানায় আনুর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ঘটনার তদন্ত শেষে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুজ্জামান ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সব প্রমাণ ও সাক্ষ্য পর্যালোচনা করে আনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, “এটি একটি ভয়াবহ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”

মানিকগঞ্জে এই নৃশংস ঘটনার রায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনেকে রায়ের প্রশংসা করে বলেন, এমন অপরাধের কঠোর শাস্তিই হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অমানবিক কাজ করার সাহস না পায়।