ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পরবর্তী শুনানি ৭ জুলাই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 360

ছবি সংগৃহীত

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। তবে শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত দুই আইনজীবী শুনানির জন্য প্রস্তুতির সুযোগ চেয়ে আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করেন। আদালত তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী শুনানির দিন ৭ জুলাই ধার্য করেছেন।

আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আদালতের সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি অভিযোগ গঠন করে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর অনুমতি প্রার্থনা করেন।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনাসহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল, সাবেক ৫ মহাপরিচালকও তালিকায়

অপরদিকে, শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা আদালতকে জানান, তারা শুনানির জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত নন এবং আরও সময় প্রয়োজন। আদালত এই যুক্তি গ্রহণ করে আগামী ৭ জুলাই পুনরায় শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

এ মামলার আরেক আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের আইনজীবী আদালতে বলেন, তারা অভিযোগ গঠনের বিষয়ে কোনো শুনানি করতে চান না।

উল্লেখ্য, এই মামলায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলা, হত্যা, হত্যাচেষ্টার প্ররোচনা এবং ষড়যন্ত্রের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ওই সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দমনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে হামলা ও নির্যাতন চালানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছিল। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগেই শেখ হাসিনাসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি।

এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, আগামী ধার্য তারিখে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীদের প্রস্তুতির ভিত্তিতে পুনরায় শুনানি হবে। আদালত আশা করছে, ওই দিনেই অভিযোগ গঠন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু করা সম্ভব হবে।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ আইনের আওতায় সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউটররা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পরবর্তী শুনানি ৭ জুলাই

আপডেট সময় ০২:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

 

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। তবে শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত দুই আইনজীবী শুনানির জন্য প্রস্তুতির সুযোগ চেয়ে আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করেন। আদালত তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী শুনানির দিন ৭ জুলাই ধার্য করেছেন।

আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আদালতের সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি অভিযোগ গঠন করে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর অনুমতি প্রার্থনা করেন।

আরও পড়ুন  পলাতক শেখ হাসিনা উসকানি দিয়ে পরিবেশ উত্তপ্ত করেছে

অপরদিকে, শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা আদালতকে জানান, তারা শুনানির জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত নন এবং আরও সময় প্রয়োজন। আদালত এই যুক্তি গ্রহণ করে আগামী ৭ জুলাই পুনরায় শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন।

এ মামলার আরেক আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের আইনজীবী আদালতে বলেন, তারা অভিযোগ গঠনের বিষয়ে কোনো শুনানি করতে চান না।

উল্লেখ্য, এই মামলায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলা, হত্যা, হত্যাচেষ্টার প্ররোচনা এবং ষড়যন্ত্রের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ওই সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দমনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে হামলা ও নির্যাতন চালানোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছিল। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগেই শেখ হাসিনাসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি।

এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, আগামী ধার্য তারিখে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীদের প্রস্তুতির ভিত্তিতে পুনরায় শুনানি হবে। আদালত আশা করছে, ওই দিনেই অভিযোগ গঠন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ শুরু করা সম্ভব হবে।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ আইনের আওতায় সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউটররা।