ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা জোরালো, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের হাত খুলল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 162

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে, যা ভবিষ্যতের যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্যও এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই রায়ের ফলে নিম্ন আদালতের নির্বাহী আদেশ স্থগিত রাখার ক্ষমতা সীমিত হয়ে গেছে।

হোয়াইট হাউজের ব্রিফিং রুমে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, “এটি একটি বড় এবং অসাধারণ রায়। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।” তিনি এটিকে সংবিধান, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং আইনের শাসনের পক্ষে এক ঐতিহাসিক বিজয় বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন মার্কো রুবিও

সুপ্রিম কোর্টের এ রায়ের ফলে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের একটি বিতর্কিত নির্বাহী আদেশ কার্যকর হওয়ার পথে সবুজ সংকেত মিলেছে। আদালত জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই নির্দেশনা আগামী এক মাসের মধ্যে কার্যকর হতে পারবে। তবে যারা এ বিষয়ে মামলা করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে নিম্ন আদালত কিছুটা প্রভাব সীমিত রাখার সুযোগ পাবে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রথা বাতিল করতে উদ্যোগী হয়েছে। তবে অনেক অঙ্গরাজ্য, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট শাসিত অঙ্গরাজ্যগুলো, এই পরিবর্তন দ্রুত কার্যকর করবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

বিচারপতি অ্যামি কোনি ব্যারেট বলেন, নিম্ন আদালতগুলো চাইলে সীমিত পরিসরে নিষেধাজ্ঞা জারি করবে কি না, তা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।

ট্রাম্প একে ‘জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের প্রতারণার ওপর কঠোর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাসে সুপ্রিম কোর্ট চূড়ান্তভাবে এই নীতির বৈধতা নির্ধারণ করবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রায়ের ফলে প্রেসিডেন্টদের নির্বাহী ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হলো। অতীতে নিম্ন আদালতের দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন নীতি যেমন বিদেশে সহায়তা কমানো, অভিবাসন সংস্কার, সরকারি কর্মচারী ছাঁটাই কিংবা নির্বাচনী নিয়মে পরিবর্তন আনার মতো উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল।

ট্রাম্প বলেছেন, “এখন আমরা সেই নীতিগুলো এগিয়ে নিতে পারব, যেগুলো এতদিন ভুলভাবে আটকে রাখা হয়েছিল।”

অনেকের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ভবিষ্যতে রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাট – উভয় দলের প্রেসিডেন্টকেই নীতি বাস্তবায়নে বেশি সময় ও সুযোগ দেবে, যতক্ষণ না বিষয়টি উচ্চ আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা জোরালো, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলে ট্রাম্পের হাত খুলল

আপডেট সময় ১০:৩২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে, যা ভবিষ্যতের যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্যও এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই রায়ের ফলে নিম্ন আদালতের নির্বাহী আদেশ স্থগিত রাখার ক্ষমতা সীমিত হয়ে গেছে।

হোয়াইট হাউজের ব্রিফিং রুমে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, “এটি একটি বড় এবং অসাধারণ রায়। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।” তিনি এটিকে সংবিধান, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং আইনের শাসনের পক্ষে এক ঐতিহাসিক বিজয় বলে মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  আমেরিকা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরাতে সক্রিয় ট্রাম্প প্রশাসন

সুপ্রিম কোর্টের এ রায়ের ফলে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের একটি বিতর্কিত নির্বাহী আদেশ কার্যকর হওয়ার পথে সবুজ সংকেত মিলেছে। আদালত জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই নির্দেশনা আগামী এক মাসের মধ্যে কার্যকর হতে পারবে। তবে যারা এ বিষয়ে মামলা করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে নিম্ন আদালত কিছুটা প্রভাব সীমিত রাখার সুযোগ পাবে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রথা বাতিল করতে উদ্যোগী হয়েছে। তবে অনেক অঙ্গরাজ্য, বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট শাসিত অঙ্গরাজ্যগুলো, এই পরিবর্তন দ্রুত কার্যকর করবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

বিচারপতি অ্যামি কোনি ব্যারেট বলেন, নিম্ন আদালতগুলো চাইলে সীমিত পরিসরে নিষেধাজ্ঞা জারি করবে কি না, তা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।

ট্রাম্প একে ‘জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের প্রতারণার ওপর কঠোর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাসে সুপ্রিম কোর্ট চূড়ান্তভাবে এই নীতির বৈধতা নির্ধারণ করবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রায়ের ফলে প্রেসিডেন্টদের নির্বাহী ক্ষমতা আরও শক্তিশালী হলো। অতীতে নিম্ন আদালতের দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন নীতি যেমন বিদেশে সহায়তা কমানো, অভিবাসন সংস্কার, সরকারি কর্মচারী ছাঁটাই কিংবা নির্বাচনী নিয়মে পরিবর্তন আনার মতো উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল।

ট্রাম্প বলেছেন, “এখন আমরা সেই নীতিগুলো এগিয়ে নিতে পারব, যেগুলো এতদিন ভুলভাবে আটকে রাখা হয়েছিল।”

অনেকের মতে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় ভবিষ্যতে রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাট – উভয় দলের প্রেসিডেন্টকেই নীতি বাস্তবায়নে বেশি সময় ও সুযোগ দেবে, যতক্ষণ না বিষয়টি উচ্চ আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়।