ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্য গ্রেফতার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 527

ছবি সংগৃহীত

 

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের বান্দরবান সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রিপন চাকমা, বীর কুমার ত্রিপুরা, ওয়াসি মারমা, অজিত চাকমা, সুখেন চাকমা এবং অনিয়ম চাকমা। তারা সবাই ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  বান্দরবানে পর্যটকবাহী বাস খাদে, আহত ২০

সেনাবাহিনীর বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিলেন এই ছয়জন। বিশেষ করে বান্দরবান শহরের নীলাচল, বড়ুয়ার টেক ও মিলনছড়ি এলাকায় যানবাহন থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে একে একে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, “সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং চাঁদাবাজির মামলাও রুজু হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ইউপিডিএফ-এর নামে চাঁদা আদায় করছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। অভিযানের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পাহাড়ি এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও আভাস মিলেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্য গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:২৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের বান্দরবান সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রিপন চাকমা, বীর কুমার ত্রিপুরা, ওয়াসি মারমা, অজিত চাকমা, সুখেন চাকমা এবং অনিয়ম চাকমা। তারা সবাই ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  বিএনপির নাম ব্যবহার করে যারা চাঁদাবাজি করছে, এদের প্রতিহত করুন: মির্জা আব্বাস

সেনাবাহিনীর বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিলেন এই ছয়জন। বিশেষ করে বান্দরবান শহরের নীলাচল, বড়ুয়ার টেক ও মিলনছড়ি এলাকায় যানবাহন থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে একে একে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, “সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং চাঁদাবাজির মামলাও রুজু হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ইউপিডিএফ-এর নামে চাঁদা আদায় করছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। অভিযানের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পাহাড়ি এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও আভাস মিলেছে।