ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্য গ্রেফতার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 523

ছবি সংগৃহীত

 

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের বান্দরবান সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রিপন চাকমা, বীর কুমার ত্রিপুরা, ওয়াসি মারমা, অজিত চাকমা, সুখেন চাকমা এবং অনিয়ম চাকমা। তারা সবাই ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  চাঁদাবাজির দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোসাব্বিরকে হত্যা: ডিবি

সেনাবাহিনীর বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিলেন এই ছয়জন। বিশেষ করে বান্দরবান শহরের নীলাচল, বড়ুয়ার টেক ও মিলনছড়ি এলাকায় যানবাহন থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে একে একে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, “সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং চাঁদাবাজির মামলাও রুজু হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ইউপিডিএফ-এর নামে চাঁদা আদায় করছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। অভিযানের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পাহাড়ি এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও আভাস মিলেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্য গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:২৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

বান্দরবানে চাঁদাবাজির অভিযোগে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের বান্দরবান সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রিপন চাকমা, বীর কুমার ত্রিপুরা, ওয়াসি মারমা, অজিত চাকমা, সুখেন চাকমা এবং অনিয়ম চাকমা। তারা সবাই ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন  দুর্নীতিবাজ, দখলদার ও চাঁদাবাজদের না বলুন, যারা ওদের পক্ষে তাঁদের বয়কট করুন: নাহিদ ইসলাম

সেনাবাহিনীর বরাতে পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিলেন এই ছয়জন। বিশেষ করে বান্দরবান শহরের নীলাচল, বড়ুয়ার টেক ও মিলনছড়ি এলাকায় যানবাহন থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী বিশেষ অভিযান চালায় এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে একে একে তাদের আটক করে।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বলেন, “সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক দলের ছয় সদস্যকে আটক করে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং চাঁদাবাজির মামলাও রুজু হয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ইউপিডিএফ-এর নামে চাঁদা আদায় করছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। অভিযানের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

পাহাড়ি এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলেও আভাস মিলেছে।