ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিসিএস ক্যাডার, প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী; এক নজরে সালাহউদ্দিন আহমদ ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে: দাবি ট্রাম্পের সংসার সুখের করতে স্বামীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ খুলনা পুলিশ লাইনে কনস্টেবলের রহস্যজনক আত্মহত্যা জিলকদ মাসের চাঁদ দেখতে সন্ধ্যায় বসছে জাতীয় কমিটি শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গরুর দুধের পুষ্টি ও শিশুর নিরাপত্তা: মায়েদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্য টিপস সরকারের দুই মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন আবারও আলোচনার তারিখ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের

কক্সবাজার বাজার সৈকতে পর্যটকের উচ্ছ্বাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 584

ছবি সংগৃহীত

 

ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অন্তত কয়েক লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। সৈকতে পর্যটকের বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস।

গত রোববার সকাল থেকে আসতে শুরু করেন পর্যটকরা। হোটেল কক্ষে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েই তারা নেমে পড়েন সমুদ্রসৈকতে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতজুড়ে পা ফেলার জায়গা নেই। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের কোথাও কোনও খালি কক্ষ নেই। সবগুলো আগাম বুকিং হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে পৃথক স্থানে পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

কেউ ঘোড়ার পিঠে চড়ে ছুটছেন এদিক-সেদিক, কেউ মোবাইলে ছবি তোলায় ব্যস্ত। কেউ আবার দ্রুতগতির নৌযান ‘জেডস্কি’ নিয়ে ঘুরে আসছেন সমুদ্রের বিশাল জলরাশি থেকে। অনেকে আবার বালুচরে সারিবদ্ধভাবে সাজানো কিটকিটে (ছাতাযুক্ত চেয়ার) বসে সমুদ্রের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করছেন।

কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মানুষের মেলা।

বুধবার (১১ জুন) দুপুর ১২টা পর্যন্ত সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে জড়ো হয়েছেন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষ। প্রচণ্ড গরমের এই দুপুরে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ সমুদ্রে নেমে গোসলে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সৈকত ভ্রমণে আসা বেশিরভাগ মানুষের প্রধান আকর্ষণ হলো সমুদ্রের নোনা জলে নেমে শরীর ভেজানো। ঠান্ডা হাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকেই লাখো পর্যটক পানিতে নেমেছেন। সমুদ্রের নীল জলরাশি উপভোগ করে তারা ছুটছেন কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের দিকে। অনেকে আশপাশের বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে ঘুরছেন।

সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্র , হিমছড়ি ঝরনা, পাথুরে সৈকত ইনানী-পাটুয়ারটেক, টেকনাফ সমুদ্রসৈকত, ঐতিহাসিক প্রেমের নিদর্শন মাথিন কূপ, নেচার পার্ক, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ পল্লিসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলো এখন জমজমাট।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজার বাজার সৈকতে পর্যটকের উচ্ছ্বাস

আপডেট সময় ০৭:১৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অন্তত কয়েক লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। সৈকতে পর্যটকের বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস।

গত রোববার সকাল থেকে আসতে শুরু করেন পর্যটকরা। হোটেল কক্ষে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়েই তারা নেমে পড়েন সমুদ্রসৈকতে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সৈকতজুড়ে পা ফেলার জায়গা নেই। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের কোথাও কোনও খালি কক্ষ নেই। সবগুলো আগাম বুকিং হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে পৃথক স্থানে পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

কেউ ঘোড়ার পিঠে চড়ে ছুটছেন এদিক-সেদিক, কেউ মোবাইলে ছবি তোলায় ব্যস্ত। কেউ আবার দ্রুতগতির নৌযান ‘জেডস্কি’ নিয়ে ঘুরে আসছেন সমুদ্রের বিশাল জলরাশি থেকে। অনেকে আবার বালুচরে সারিবদ্ধভাবে সাজানো কিটকিটে (ছাতাযুক্ত চেয়ার) বসে সমুদ্রের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করছেন।

কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মানুষের মেলা।

বুধবার (১১ জুন) দুপুর ১২টা পর্যন্ত সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে জড়ো হয়েছেন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষ। প্রচণ্ড গরমের এই দুপুরে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ সমুদ্রে নেমে গোসলে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সৈকত ভ্রমণে আসা বেশিরভাগ মানুষের প্রধান আকর্ষণ হলো সমুদ্রের নোনা জলে নেমে শরীর ভেজানো। ঠান্ডা হাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকেই লাখো পর্যটক পানিতে নেমেছেন। সমুদ্রের নীল জলরাশি উপভোগ করে তারা ছুটছেন কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের দিকে। অনেকে আশপাশের বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে ঘুরছেন।

সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্র , হিমছড়ি ঝরনা, পাথুরে সৈকত ইনানী-পাটুয়ারটেক, টেকনাফ সমুদ্রসৈকত, ঐতিহাসিক প্রেমের নিদর্শন মাথিন কূপ, নেচার পার্ক, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ পল্লিসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলো এখন জমজমাট।