ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

“আমরা চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না: প্রেস সচিবের সাফ বক্তব্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 614

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করা হলেও এটি কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

রোববার রাজধানীতে আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ক্যাপিটাল মার্কেট সাংবাদিক ফোরাম (সিএমজেএফ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতের ওপর চাপ বাড়ছে: শফিকুল আলম

প্রেস সচিব বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো যাতে বন্দরের নির্দিষ্ট টার্মিনালগুলোর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় অংশ নিতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে চাই আমরা। এতে দক্ষতা বাড়বে, আধুনিকায়নের গতি আসবে। তবে এটা পরিষ্কার করে বলছি, চট্টগ্রাম বন্দর আমরা কাউকে দিচ্ছি না।”

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে সব কিছু হবে দেশের স্বার্থ ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে।

সম্প্রতি বন্দরের ব্যবস্থাপনায় বিদেশি কোম্পানির সম্পৃক্ততা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দেয়। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব বিস্তার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। এই প্রেক্ষাপটে প্রেস সচিবের বক্তব্যকে অনেকে স্বস্তিদায়ক এবং স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন।

শফিকুল আলম বলেন, “আমরা এমন একটি মডেল খুঁজছি যেখানে দেশের নিয়ন্ত্রণে থেকেই বিদেশি প্রযুক্তি ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বন্দরের উন্নয়ন সম্ভব। এই কাজটি যেন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করে।”

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই অবস্থান বন্দরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নকে গতি দেবে এবং একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই এর উন্নয়ন নিয়ে কোনো রকম গুজব বা বিভ্রান্তি যেন না ছড়ায়, সেজন্য সরকারের এমন স্পষ্ট অবস্থান সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

“আমরা চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না: প্রেস সচিবের সাফ বক্তব্য

আপডেট সময় ১২:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

 

চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করা হলেও এটি কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

রোববার রাজধানীতে আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ক্যাপিটাল মার্কেট সাংবাদিক ফোরাম (সিএমজেএফ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন  জুলাই আন্দোলনের ডকুমেন্টারি ভারতীয় মিডিয়ার জন্য শক্তিশালী জবাব

প্রেস সচিব বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো যাতে বন্দরের নির্দিষ্ট টার্মিনালগুলোর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় অংশ নিতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে চাই আমরা। এতে দক্ষতা বাড়বে, আধুনিকায়নের গতি আসবে। তবে এটা পরিষ্কার করে বলছি, চট্টগ্রাম বন্দর আমরা কাউকে দিচ্ছি না।”

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে সব কিছু হবে দেশের স্বার্থ ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে।

সম্প্রতি বন্দরের ব্যবস্থাপনায় বিদেশি কোম্পানির সম্পৃক্ততা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দেয়। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব বিস্তার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। এই প্রেক্ষাপটে প্রেস সচিবের বক্তব্যকে অনেকে স্বস্তিদায়ক এবং স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন।

শফিকুল আলম বলেন, “আমরা এমন একটি মডেল খুঁজছি যেখানে দেশের নিয়ন্ত্রণে থেকেই বিদেশি প্রযুক্তি ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বন্দরের উন্নয়ন সম্ভব। এই কাজটি যেন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করে।”

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই অবস্থান বন্দরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নকে গতি দেবে এবং একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই এর উন্নয়ন নিয়ে কোনো রকম গুজব বা বিভ্রান্তি যেন না ছড়ায়, সেজন্য সরকারের এমন স্পষ্ট অবস্থান সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।