ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

“আমরা চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না: প্রেস সচিবের সাফ বক্তব্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 340

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করা হলেও এটি কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

রোববার রাজধানীতে আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ক্যাপিটাল মার্কেট সাংবাদিক ফোরাম (সিএমজেএফ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন  পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে নতুন আইন আসছে শিগগিরই: প্রেস সচিব

প্রেস সচিব বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো যাতে বন্দরের নির্দিষ্ট টার্মিনালগুলোর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় অংশ নিতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে চাই আমরা। এতে দক্ষতা বাড়বে, আধুনিকায়নের গতি আসবে। তবে এটা পরিষ্কার করে বলছি, চট্টগ্রাম বন্দর আমরা কাউকে দিচ্ছি না।”

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে সব কিছু হবে দেশের স্বার্থ ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে।

সম্প্রতি বন্দরের ব্যবস্থাপনায় বিদেশি কোম্পানির সম্পৃক্ততা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দেয়। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব বিস্তার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। এই প্রেক্ষাপটে প্রেস সচিবের বক্তব্যকে অনেকে স্বস্তিদায়ক এবং স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন।

শফিকুল আলম বলেন, “আমরা এমন একটি মডেল খুঁজছি যেখানে দেশের নিয়ন্ত্রণে থেকেই বিদেশি প্রযুক্তি ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বন্দরের উন্নয়ন সম্ভব। এই কাজটি যেন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করে।”

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই অবস্থান বন্দরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নকে গতি দেবে এবং একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই এর উন্নয়ন নিয়ে কোনো রকম গুজব বা বিভ্রান্তি যেন না ছড়ায়, সেজন্য সরকারের এমন স্পষ্ট অবস্থান সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

“আমরা চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না: প্রেস সচিবের সাফ বক্তব্য

আপডেট সময় ১২:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

 

চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করা হলেও এটি কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

রোববার রাজধানীতে আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ক্যাপিটাল মার্কেট সাংবাদিক ফোরাম (সিএমজেএফ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন  পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে নতুন আইন আসছে শিগগিরই: প্রেস সচিব

প্রেস সচিব বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো যাতে বন্দরের নির্দিষ্ট টার্মিনালগুলোর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় অংশ নিতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে চাই আমরা। এতে দক্ষতা বাড়বে, আধুনিকায়নের গতি আসবে। তবে এটা পরিষ্কার করে বলছি, চট্টগ্রাম বন্দর আমরা কাউকে দিচ্ছি না।”

তিনি আরও জানান, এরই মধ্যে কিছু বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে সব কিছু হবে দেশের স্বার্থ ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে।

সম্প্রতি বন্দরের ব্যবস্থাপনায় বিদেশি কোম্পানির সম্পৃক্ততা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দেয়। বিশেষ করে একটি নির্দিষ্ট দেশের প্রভাব বিস্তার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। এই প্রেক্ষাপটে প্রেস সচিবের বক্তব্যকে অনেকে স্বস্তিদায়ক এবং স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখছেন।

শফিকুল আলম বলেন, “আমরা এমন একটি মডেল খুঁজছি যেখানে দেশের নিয়ন্ত্রণে থেকেই বিদেশি প্রযুক্তি ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বন্দরের উন্নয়ন সম্ভব। এই কাজটি যেন বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করে।”

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই অবস্থান বন্দরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নকে গতি দেবে এবং একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই এর উন্নয়ন নিয়ে কোনো রকম গুজব বা বিভ্রান্তি যেন না ছড়ায়, সেজন্য সরকারের এমন স্পষ্ট অবস্থান সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।