ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

এপ্রিলের ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১ হাজার কোটি টাকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 328

ছবি সংগৃহীত

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ১৭১ কোটি ৮৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা টাকায় পরিণত করলে (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে) দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার ৯৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

এই সময়ের মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স। প্রবাসীরা এই খাতে পাঠিয়েছেন ৯৮ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৩ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার এই ধারা শুধু এপ্রিলেই নয়, চলতি বছরজুড়েই ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে। বিশেষ করে গত মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে, যার পরিমাণ ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জানুয়ারিতে এসেছিল ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫২ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন  রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন উচ্চতা: ফেব্রুয়ারিতে এলো ২.৫৩ বিলিয়ন ডলার

অর্থনীতিবিদদের মতে, বিশ্ববাজারে কর্মসংস্থানের বিস্তার এবং প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রতি আস্থা বাড়ার কারণেই রেমিট্যান্স প্রবাহে এই চাঙাভাব দেখা যাচ্ছে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উৎসাহমূলক পদক্ষেপ ও রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত থাকায় প্রবাসীরা হুন্ডি বাদ দিয়ে বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারাও মনে করছেন, সামনের ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীদের অর্থপ্রেরণ আরও বাড়বে এবং এপ্রিল মাস শেষ হতে না হতেই চলতি বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ রেকর্ড হতে পারে।

অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত এই রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশীয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় মেটাতেও বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং মুদ্রাবাজারে চাপ কিছুটা হলেও কমবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এপ্রিলের ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৭:৫৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীরা মোট ১৭১ কোটি ৮৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা টাকায় পরিণত করলে (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে) দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার ৯৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

এই সময়ের মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স। প্রবাসীরা এই খাতে পাঠিয়েছেন ৯৮ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৩ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯ কোটি ২ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার এই ধারা শুধু এপ্রিলেই নয়, চলতি বছরজুড়েই ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে। বিশেষ করে গত মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে, যার পরিমাণ ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জানুয়ারিতে এসেছিল ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫২ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন  জানুয়ারির প্রথম ২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৭ কোটি ৫৯ লাখ ডলার 

অর্থনীতিবিদদের মতে, বিশ্ববাজারে কর্মসংস্থানের বিস্তার এবং প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রতি আস্থা বাড়ার কারণেই রেমিট্যান্স প্রবাহে এই চাঙাভাব দেখা যাচ্ছে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা উৎসাহমূলক পদক্ষেপ ও রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত থাকায় প্রবাসীরা হুন্ডি বাদ দিয়ে বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে আগ্রহী হচ্ছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারাও মনে করছেন, সামনের ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীদের অর্থপ্রেরণ আরও বাড়বে এবং এপ্রিল মাস শেষ হতে না হতেই চলতি বছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ রেকর্ড হতে পারে।

অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত এই রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশীয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় মেটাতেও বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং মুদ্রাবাজারে চাপ কিছুটা হলেও কমবে।