ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

রাজপথে নেমে আসার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানালেন সারজিস আলম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 416

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে আজ সোমবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘নো ওয়ার্ক, নো ক্লাস’ কর্মসূচি। সকাল থেকেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই কর্মসূচি যেন পরিণত হয়েছে মানবতার এক অবিস্মরণীয় অভ্যুত্থানে।

গণজাগরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান। তার বার্তায় উঠে আসে হৃদয়ের গভীর আর্তি “বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন। মার্চ ফর গাজা, মার্চ ফর প্যালেস্টাইন।”

আরও পড়ুন  তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ

তিনি আরও বলেন, “আমরা হয়তো সরাসরি গাজার ভাইদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে পারব না। কিন্তু তাদের সংগ্রামের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করতে পারি। অন্তত রাজপথে দাঁড়াতে পারি তাদের জন্য, মানবতার জন্য, ন্যায়ের পক্ষে।”

এর আগেও রবিবার এক পোস্টে সারজিস আহ্বান জানিয়েছিলেন, দল-মত নির্বিশেষে ‘বাংলাদেশ’ ব্যানারে একত্রিত হয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে রাস্তায় নামার। বিএনপি, জামায়াত কিংবা এনসিপি নয় এই আন্দোলন যেন হয়ে ওঠে সকল মানুষের, সকল বিবেকের প্রতিধ্বনি।

তার ভাষায়, “এটা কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়। এটা একটিমাত্র পরিচয়ের আমরা মানুষ। আমরা ন্যায়ের পক্ষে। আমরা গাজার পক্ষে।” তিনি আরও বলেন, “নেতানিয়াহুর খুনে নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে বাংলার মাটিতে প্রতিধ্বনিত হোক প্রতিবাদের স্লোগান।”

রাজপথে নামা শিক্ষার্থীদের হাতে দেখা গেছে পোস্টার, ব্যানার ও ফিলিস্তিনের পতাকা। তাদের চোখে ছিল ক্ষোভ, মুখে ছিল প্রতিবাদের জোরাল আওয়াজ।

এই আন্দোলন আজ আর শুধু ফিলিস্তিনের পক্ষে নয়, এটি পরিণত হয়েছে বৈশ্বিক ন্যায়ের দাবিতে এক জাতিগত জাগরণে। বাংলাদেশের মানুষ আজ আবারও প্রমাণ করলো মানবতার প্রশ্নে এদেশ কোনোদিন নীরব থাকে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজপথে নেমে আসার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানালেন সারজিস আলম

আপডেট সময় ০৬:০০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে আজ সোমবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘নো ওয়ার্ক, নো ক্লাস’ কর্মসূচি। সকাল থেকেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই কর্মসূচি যেন পরিণত হয়েছে মানবতার এক অবিস্মরণীয় অভ্যুত্থানে।

গণজাগরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি বাংলাদেশের মানুষকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান। তার বার্তায় উঠে আসে হৃদয়ের গভীর আর্তি “বাংলাদেশের জনগণ, নেমে আসুন, নেমে পড়ুন। মার্চ ফর গাজা, মার্চ ফর প্যালেস্টাইন।”

আরও পড়ুন  নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

তিনি আরও বলেন, “আমরা হয়তো সরাসরি গাজার ভাইদের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে পারব না। কিন্তু তাদের সংগ্রামের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করতে পারি। অন্তত রাজপথে দাঁড়াতে পারি তাদের জন্য, মানবতার জন্য, ন্যায়ের পক্ষে।”

এর আগেও রবিবার এক পোস্টে সারজিস আহ্বান জানিয়েছিলেন, দল-মত নির্বিশেষে ‘বাংলাদেশ’ ব্যানারে একত্রিত হয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে রাস্তায় নামার। বিএনপি, জামায়াত কিংবা এনসিপি নয় এই আন্দোলন যেন হয়ে ওঠে সকল মানুষের, সকল বিবেকের প্রতিধ্বনি।

তার ভাষায়, “এটা কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়। এটা একটিমাত্র পরিচয়ের আমরা মানুষ। আমরা ন্যায়ের পক্ষে। আমরা গাজার পক্ষে।” তিনি আরও বলেন, “নেতানিয়াহুর খুনে নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে বাংলার মাটিতে প্রতিধ্বনিত হোক প্রতিবাদের স্লোগান।”

রাজপথে নামা শিক্ষার্থীদের হাতে দেখা গেছে পোস্টার, ব্যানার ও ফিলিস্তিনের পতাকা। তাদের চোখে ছিল ক্ষোভ, মুখে ছিল প্রতিবাদের জোরাল আওয়াজ।

এই আন্দোলন আজ আর শুধু ফিলিস্তিনের পক্ষে নয়, এটি পরিণত হয়েছে বৈশ্বিক ন্যায়ের দাবিতে এক জাতিগত জাগরণে। বাংলাদেশের মানুষ আজ আবারও প্রমাণ করলো মানবতার প্রশ্নে এদেশ কোনোদিন নীরব থাকে না।