ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস
বাণিজ্যিক

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি নয়: ইউক্রেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 300

ছবি সংগৃহীত

 

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজসম্পদ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি নয় ইউক্রেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বা ইউক্রেন সরকার কেউই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি বিবেচনা করবে না, স্বাক্ষর তো দূরের কথা।”

ইউক্রেনীয় টেলিভিশনের সঙ্গে আলাপকালে শ্যামিহাল জানান, খনিজ চুক্তির প্রাথমিক পর্যায়ে ইউক্রেনের পুনর্গঠনের জন্য একটি “বিনিয়োগ তহবিল” গঠন করা হবে, যা সমান শর্তে পরিচালনা করবে কিয়েভ ও ওয়াশিংটন। টানা দুই সপ্তাহ আলোচনার পর খনিজ চুক্তির খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  ১৫ আগস্ট ইউক্রেন ইস্যুতে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প ও পুতিন

এদিকে, খনিজ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার মাঝেই পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা হয়েছে। কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরে রাশিয়ান বাহিনীর আক্রমণে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির প্রধান ভাদিম ফিলাশকিন।

টেলিগ্রামে দেয়া বিবৃতিতে তিনি জানান, রাশিয়া তিনটি গাইডেড এরিয়াল বোমা নিক্ষেপ করেছে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “কোস্তিয়ান্তিনিভকায় রাশিয়ার হামলা বাড়ছে। শহরে থাকা এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।” ফিলাশকিন ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও বিশাল গর্তের ছবি শেয়ার করে হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ থাকলেও দেশটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা বাড়াচ্ছে। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও কিয়েভের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

বাণিজ্যিক

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি নয়: ইউক্রেন

আপডেট সময় ০৮:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজসম্পদ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি নয় ইউক্রেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বা ইউক্রেন সরকার কেউই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি বিবেচনা করবে না, স্বাক্ষর তো দূরের কথা।”

ইউক্রেনীয় টেলিভিশনের সঙ্গে আলাপকালে শ্যামিহাল জানান, খনিজ চুক্তির প্রাথমিক পর্যায়ে ইউক্রেনের পুনর্গঠনের জন্য একটি “বিনিয়োগ তহবিল” গঠন করা হবে, যা সমান শর্তে পরিচালনা করবে কিয়েভ ও ওয়াশিংটন। টানা দুই সপ্তাহ আলোচনার পর খনিজ চুক্তির খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ক্রিমিয়ায় রুশ নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

এদিকে, খনিজ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার মাঝেই পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা হয়েছে। কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরে রাশিয়ান বাহিনীর আক্রমণে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির প্রধান ভাদিম ফিলাশকিন।

টেলিগ্রামে দেয়া বিবৃতিতে তিনি জানান, রাশিয়া তিনটি গাইডেড এরিয়াল বোমা নিক্ষেপ করেছে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “কোস্তিয়ান্তিনিভকায় রাশিয়ার হামলা বাড়ছে। শহরে থাকা এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।” ফিলাশকিন ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও বিশাল গর্তের ছবি শেয়ার করে হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ থাকলেও দেশটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা বাড়াচ্ছে। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও কিয়েভের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”