ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ভারত-নেপাল সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 1284

ছবি সংগৃহীত

 

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ভারতের এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নেপালের চলমান অস্থিরতা বিবেচনায় ভারত-নেপাল সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ভারত ও নেপালের মধ্যে এক হাজার ৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা উত্তরাখণ্ড, উত্তর প্রদেশ, বিহার, সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত। ১৯৫০ সালের শান্তি ও মৈত্রি চুক্তি অনুসারে দুই দেশের নাগরিক ও পণ্যের চলাচল সাধারণত অবাধ।

আরও পড়ুন  অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

তবে বর্তমানে সীমান্তে চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার গৌরিফাঁটা সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনী নেপালি নাগরিকদের ভারতে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। তবে ভারতীয় নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারছেন। অপরদিকে, নেপালও এখন ভারতীয় নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যদিও ভারতে অবস্থানরত নেপালি নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারছেন।

দার্জিলিং অঞ্চলের পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ জানান, এখানে একটি অস্থায়ী পুলিশ পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।”

এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, বিহার সহ নেপালের সঙ্গে সীমান্তসংলগ্ন অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, সহিংসতায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের নেপালে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ স্থগিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত-নেপাল সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা

আপডেট সময় ০৩:৫৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ভারতের এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নেপালের চলমান অস্থিরতা বিবেচনায় ভারত-নেপাল সীমান্তে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ভারত ও নেপালের মধ্যে এক হাজার ৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা উত্তরাখণ্ড, উত্তর প্রদেশ, বিহার, সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত। ১৯৫০ সালের শান্তি ও মৈত্রি চুক্তি অনুসারে দুই দেশের নাগরিক ও পণ্যের চলাচল সাধারণত অবাধ।

আরও পড়ুন  ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় ভয়াবহ পদদলিত, নিহতের শঙ্কা বহু

তবে বর্তমানে সীমান্তে চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরি জেলার গৌরিফাঁটা সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনী নেপালি নাগরিকদের ভারতে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। তবে ভারতীয় নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারছেন। অপরদিকে, নেপালও এখন ভারতীয় নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যদিও ভারতে অবস্থানরত নেপালি নাগরিকরা দেশে ফিরতে পারছেন।

দার্জিলিং অঞ্চলের পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ জানান, এখানে একটি অস্থায়ী পুলিশ পোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।”

এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, বিহার সহ নেপালের সঙ্গে সীমান্তসংলগ্ন অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, সহিংসতায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের নেপালে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ স্থগিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।