ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার

মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে ৪৪ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করলো বিএসএফ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 545

ছবি সংগৃহীত

 

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার লাতু ও পাল্লারতল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ফের ৪৪ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে পুশ-ইন করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৪ মে) ভোরে সীমান্তবর্তী লাতু ও পাল্লারতল এলাকা দিয়ে এদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে বিষয়টি বিয়ানীবাজার ক্যাম্পের ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নকে অবহিত করেন। বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নেয়।

আরও পড়ুন  জৈন্তাপুরে ১৯ জন নাগরিককে পুশইন করলো বিএসএফ

উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, “বিএসএফ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আটক করে ওই ৪৪ জনকে একই জায়গায় জড়ো করে। এরপর তাদের বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে এবং বিজিবিকে খবর দেয়।”

বিজিবির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পুশ-ইন হওয়া ৪৪ জনের মধ্যে নারী-পুরুষ উভয়েই রয়েছেন। তাদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পরিচয় নিশ্চিত করতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। জানা গেছে, তাদের সবার বাড়ি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়।

স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তবর্তী এই এলাকাগুলো দিয়ে এমন পুশ-ইনের ঘটনা নতুন নয়। মাঝে মাঝেই বিএসএফ বাংলাদেশি নাগরিকদের ধরে এনে সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। এতে মানবিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

বিজিবি জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনায় কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তারা পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।

বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে একসঙ্গে এতোজনকে পুশ-ইন করার ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে ৪৪ জন বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করলো বিএসএফ

আপডেট সময় ০৭:৪১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার লাতু ও পাল্লারতল সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ফের ৪৪ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে পুশ-ইন করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৪ মে) ভোরে সীমান্তবর্তী লাতু ও পাল্লারতল এলাকা দিয়ে এদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে বিষয়টি বিয়ানীবাজার ক্যাম্পের ৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নকে অবহিত করেন। বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নেয়।

আরও পড়ুন  নওগাঁর পোরশা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, “বিএসএফ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আটক করে ওই ৪৪ জনকে একই জায়গায় জড়ো করে। এরপর তাদের বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে এবং বিজিবিকে খবর দেয়।”

বিজিবির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পুশ-ইন হওয়া ৪৪ জনের মধ্যে নারী-পুরুষ উভয়েই রয়েছেন। তাদের প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং পরিচয় নিশ্চিত করতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। জানা গেছে, তাদের সবার বাড়ি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়।

স্থানীয়রা বলছেন, সীমান্তবর্তী এই এলাকাগুলো দিয়ে এমন পুশ-ইনের ঘটনা নতুন নয়। মাঝে মাঝেই বিএসএফ বাংলাদেশি নাগরিকদের ধরে এনে সীমান্ত দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। এতে মানবিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

বিজিবি জানিয়েছে, এ ধরনের ঘটনায় কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তারা পুশ-ইন হওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।

বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে একসঙ্গে এতোজনকে পুশ-ইন করার ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।